ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
একই
সাথে তিনি স্পষ্ট করেছেন
যে, শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি
নয়, বরং ইরান যুদ্ধের
স্থায়ী অবসান চায়।
ইরানের
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আব্বাস আরাঘচি সরকারের এই পররাষ্ট্রনীতির বিষয়টি
নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "ড.
পেজেশকিয়ানের প্রশাসনের অধীনে প্রতিবেশী দেশগুলোকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া
হয়েছে। এই নীতির অংশ
হিসেবে প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে কোনো উত্তেজনা
দূর করা এবং বৃহত্তর
প্রতিবেশী সম্পৃক্ততার পাশাপাশি প্রাদেশিক কূটনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।"
সাম্প্রতিক
সংকটের সময় সহায়তার জন্য
প্রতিবেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও বলেন,
কয়েক টি দেশ ইরানকে
প্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধ
সরবরাহ করেছে, আটকে পড়া নাগরিকদের
ফিরতে পথ দিয়েছে এবং
আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। যুদ্ধের শুরুর দিকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব
প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে তিনি বলেন, "আমরা
যুদ্ধবিরতি চাই না; আমরা
যুদ্ধের অবসান চাই।"
তিনি
হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যে
সংঘাত কয়েক মাস পরপর
ফিরে আসে, তা যেন
নিয়মে পরিণত না হয়।
এদিকে
আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাবে তীব্র সরবরাহ সংকটে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী
রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’। সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র
হামলায় না হলেও, গুরুত্বপূর্ণ
লজিস্টিক হাব ধ্বংস হওয়ায়
রণতরীটি এখন মারাত্মক চাপে
পড়েছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ইরানের পাল্টাধাওয়া হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা ছিল
ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য জ্বালানি, খাদ্য
ও রসদ সরবরাহের প্রধান
কেন্দ্র। বাহরাইনের কেন্দ্রটি অকার্যকর হয়ে পড়ায় পেন্টাগন
এখন ওমান উপসাগর থেকে
প্রায় ২ হাজার ২০০
মাইল দূরে ভারত মহাসাগরের
দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।
এই বিশাল দূরত্বের কারণে আব্রাহাম লিংকনের রসদ সরবরাহ চরম
ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি, প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক
নিয়ে নয় মাস ধরে
টানা মোতায়েন থাকা রণতরীটির ভবিষ্যৎ
নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা। সব মিলিয়ে লজিস্টিকস
কেন্দ্র হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে বেশ বেগ
পেতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
একই
সাথে তিনি স্পষ্ট করেছেন
যে, শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি
নয়, বরং ইরান যুদ্ধের
স্থায়ী অবসান চায়।
ইরানের
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আব্বাস আরাঘচি সরকারের এই পররাষ্ট্রনীতির বিষয়টি
নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "ড.
পেজেশকিয়ানের প্রশাসনের অধীনে প্রতিবেশী দেশগুলোকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া
হয়েছে। এই নীতির অংশ
হিসেবে প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে কোনো উত্তেজনা
দূর করা এবং বৃহত্তর
প্রতিবেশী সম্পৃক্ততার পাশাপাশি প্রাদেশিক কূটনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।"
সাম্প্রতিক
সংকটের সময় সহায়তার জন্য
প্রতিবেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও বলেন,
কয়েক টি দেশ ইরানকে
প্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধ
সরবরাহ করেছে, আটকে পড়া নাগরিকদের
ফিরতে পথ দিয়েছে এবং
আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। যুদ্ধের শুরুর দিকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব
প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে তিনি বলেন, "আমরা
যুদ্ধবিরতি চাই না; আমরা
যুদ্ধের অবসান চাই।"
তিনি
হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যে
সংঘাত কয়েক মাস পরপর
ফিরে আসে, তা যেন
নিয়মে পরিণত না হয়।
এদিকে
আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাবে তীব্র সরবরাহ সংকটে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী
রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’। সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র
হামলায় না হলেও, গুরুত্বপূর্ণ
লজিস্টিক হাব ধ্বংস হওয়ায়
রণতরীটি এখন মারাত্মক চাপে
পড়েছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ইরানের পাল্টাধাওয়া হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা ছিল
ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য জ্বালানি, খাদ্য
ও রসদ সরবরাহের প্রধান
কেন্দ্র। বাহরাইনের কেন্দ্রটি অকার্যকর হয়ে পড়ায় পেন্টাগন
এখন ওমান উপসাগর থেকে
প্রায় ২ হাজার ২০০
মাইল দূরে ভারত মহাসাগরের
দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।
এই বিশাল দূরত্বের কারণে আব্রাহাম লিংকনের রসদ সরবরাহ চরম
ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি, প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক
নিয়ে নয় মাস ধরে
টানা মোতায়েন থাকা রণতরীটির ভবিষ্যৎ
নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা। সব মিলিয়ে লজিস্টিকস
কেন্দ্র হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে বেশ বেগ
পেতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে।

আপনার মতামত লিখুন