সংবাদ

দোহারে স্কুল পরিদর্শনে ইউএনওর মিশ্র অভিজ্ঞতা


প্রতিনিধি, নবাবগঞ্জ (ঢাকা)
প্রতিনিধি, নবাবগঞ্জ (ঢাকা)
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

দোহারে স্কুল পরিদর্শনে ইউএনওর মিশ্র অভিজ্ঞতা
ছবি : সংবাদ

ঢাকার দোহার উপজেলার রায়পাড়া ইউনিয়নে দুটি স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে মিশ্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাইদুল ইসলাম। একটি স্কুলে শতভাগ শিক্ষকের উপস্থিতি থাকলেও অন্যটিতে নির্ধারিত সময়ের পরও অধিকাংশ শিক্ষককে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুপস্থিত শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন ইউএনও। প্রথমে তিনি পালমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। সেখানে শিক্ষকদের শতভাগ উপস্থিতি এবং সময়ানুবর্তিতা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তবে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল ইকরাশি আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে। সকাল ১০টার পর সেখানে গিয়ে ইউএনও দেখেন, বিদ্যালয়ে কেবল প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল আলিম উপস্থিত আছেন। অন্য কোনো শিক্ষক তখনো বিদ্যালয়ে পৌঁছাননি। ইউএনও বিদ্যালয়ে অবস্থান করে সকাল ১০টা ৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। ওই সময়ের মধ্যে মাত্র ১৬ জন শিক্ষক উপস্থিত হন। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও অধিকাংশ শিক্ষকের অনুপস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

ইউএনও মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথমে গিয়ে শুধু প্রধান শিক্ষককে পেয়েছি। ১০টা ৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর মাত্র ১৬ জন শিক্ষককে পাওয়া গেছে। বাকিরা নির্ধারিত সময়ের পরও অনুপস্থিত ছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সময়ানুবর্তিতা ও দায়িত্বশীলতার ওপরই শিক্ষার মান নির্ভর করে। এভাবে দেরি করে আসায় স্বাভাবিক পাঠদান প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধান শিক্ষককে কড়া নির্দেশনা দেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


দোহারে স্কুল পরিদর্শনে ইউএনওর মিশ্র অভিজ্ঞতা

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঢাকার দোহার উপজেলার রায়পাড়া ইউনিয়নে দুটি স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে মিশ্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাইদুল ইসলাম। একটি স্কুলে শতভাগ শিক্ষকের উপস্থিতি থাকলেও অন্যটিতে নির্ধারিত সময়ের পরও অধিকাংশ শিক্ষককে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুপস্থিত শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন ইউএনও। প্রথমে তিনি পালমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। সেখানে শিক্ষকদের শতভাগ উপস্থিতি এবং সময়ানুবর্তিতা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তবে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল ইকরাশি আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে। সকাল ১০টার পর সেখানে গিয়ে ইউএনও দেখেন, বিদ্যালয়ে কেবল প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল আলিম উপস্থিত আছেন। অন্য কোনো শিক্ষক তখনো বিদ্যালয়ে পৌঁছাননি। ইউএনও বিদ্যালয়ে অবস্থান করে সকাল ১০টা ৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। ওই সময়ের মধ্যে মাত্র ১৬ জন শিক্ষক উপস্থিত হন। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও অধিকাংশ শিক্ষকের অনুপস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

ইউএনও মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথমে গিয়ে শুধু প্রধান শিক্ষককে পেয়েছি। ১০টা ৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর মাত্র ১৬ জন শিক্ষককে পাওয়া গেছে। বাকিরা নির্ধারিত সময়ের পরও অনুপস্থিত ছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সময়ানুবর্তিতা ও দায়িত্বশীলতার ওপরই শিক্ষার মান নির্ভর করে। এভাবে দেরি করে আসায় স্বাভাবিক পাঠদান প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধান শিক্ষককে কড়া নির্দেশনা দেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত