বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে চলছে ইলিশ ধরার মৌসুম। জেলেদের জালে ধরা পড়ছে প্রচুর ইলিশ। সেইসঙ্গে চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাটে আসছে বার্মিজ জেলেদের ধরা নন-গ্রেড ইলিশও। ফলে বাজারে ইলিশের দাম অনেক কম।
কিন্তু এই সুযোগে প্রতারণা করছেন কিছু অসাধু বিক্রেতা। তারা ফিশারি ঘাটের বার্মিজ ইলিশগুলো অনলাইনে ‘মোহনার ইলিশ’, ‘বরিশালের ইলিশ’ নাম দিয়ে ডিসকাউন্ট অফার দেখিয়ে বিক্রি করছেন। অথচ এই ইলিশের স্বাদ আমাদের নদী বা বঙ্গোপসাগরের মোহনার ইলিশের মতো নয়।
বার্মিজ ইলিশ দেখতে কিছুটা লম্বাটে এবং চোখ লালচে। এই ইলিশগুলো সহজেই চেনা যায়। তবে সাধারণ ক্রেতারা তা বুঝতে পারেন না। অসাধু ব্যবসায়ীরা এই সুযোগে প্রতি কেজিতে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করছেন।
কেউ কেউ হাজার-বারোশ টাকা কেজির ইলিশের পেট থেকে ডিম বের করে আলাদা করে বিক্রি করছেন। সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫-৬ হাজার টাকা কেজি দরে। আবার পেটকাটা ইলিশও বিক্রি করছেন হাজার-পনেরশ টাকা কেজিতে। এতে তারা দ্বিগুণ লাভ করছেন।
অনলাইনে সস্তায় ইলিশ কিনতে গিয়ে ঠকছেন সাধারণ ক্রেতারা। ফিশারি ঘাট সূত্রে জানা গেছে, এসব নন-গ্রেড ইলিশের আসল দাম অনেক কম। কিন্তু অনলাইন বিক্রেতারা মোহনার ইলিশের নাম ব্যবহার করে বাড়তি দাম হাঁকাচ্ছেন।
ভোক্তারা বলছেন, ‘আমরা ইলিশের স্বাদ পাচ্ছি না। পেটও কেটে দেওয়া, ডিমও বের করে নেওয়া। অথচ দাম দেওয়া হচ্ছে মোহনার ইলিশের মতো।’
এই প্রতারণা বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই বলে জানিয়েছেন ভোক্তারা। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোয় নিয়মিত এসব ‘ভুয়া অফার’ আসছে, কিন্তু কোনো নজরদারি নেই।
অথচ একজন বিক্রেতা একেক কেজি ইলিশে ৫০০-১০০০ টাকা লাভ করছে, কেউ কেউ আবার ডিম ও পেটকাটা ইলিশ আলাদা করে দ্বিগুণ মুনাফা করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘বাজারে নজরদারি বাড়াতে হবে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোয় বিক্রেতাদের যাচাই-বাছাই করতে হবে। নইলে এ ধরনের প্রতারণা থামবে না।’
তবে এ বিষয়ে কিছু ভোক্তাও সাবধান নন। সস্তার লোভে পড়ে অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন। এক ভোক্তা বলেন, ‘আমি তো মনে করেছিলাম সত্যিই অফার। কিন্তু ইলিশ এনে দেখি স্বাদই আলাদা।’

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে চলছে ইলিশ ধরার মৌসুম। জেলেদের জালে ধরা পড়ছে প্রচুর ইলিশ। সেইসঙ্গে চট্টগ্রামের ফিশারি ঘাটে আসছে বার্মিজ জেলেদের ধরা নন-গ্রেড ইলিশও। ফলে বাজারে ইলিশের দাম অনেক কম।
কিন্তু এই সুযোগে প্রতারণা করছেন কিছু অসাধু বিক্রেতা। তারা ফিশারি ঘাটের বার্মিজ ইলিশগুলো অনলাইনে ‘মোহনার ইলিশ’, ‘বরিশালের ইলিশ’ নাম দিয়ে ডিসকাউন্ট অফার দেখিয়ে বিক্রি করছেন। অথচ এই ইলিশের স্বাদ আমাদের নদী বা বঙ্গোপসাগরের মোহনার ইলিশের মতো নয়।
বার্মিজ ইলিশ দেখতে কিছুটা লম্বাটে এবং চোখ লালচে। এই ইলিশগুলো সহজেই চেনা যায়। তবে সাধারণ ক্রেতারা তা বুঝতে পারেন না। অসাধু ব্যবসায়ীরা এই সুযোগে প্রতি কেজিতে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করছেন।
কেউ কেউ হাজার-বারোশ টাকা কেজির ইলিশের পেট থেকে ডিম বের করে আলাদা করে বিক্রি করছেন। সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫-৬ হাজার টাকা কেজি দরে। আবার পেটকাটা ইলিশও বিক্রি করছেন হাজার-পনেরশ টাকা কেজিতে। এতে তারা দ্বিগুণ লাভ করছেন।
অনলাইনে সস্তায় ইলিশ কিনতে গিয়ে ঠকছেন সাধারণ ক্রেতারা। ফিশারি ঘাট সূত্রে জানা গেছে, এসব নন-গ্রেড ইলিশের আসল দাম অনেক কম। কিন্তু অনলাইন বিক্রেতারা মোহনার ইলিশের নাম ব্যবহার করে বাড়তি দাম হাঁকাচ্ছেন।
ভোক্তারা বলছেন, ‘আমরা ইলিশের স্বাদ পাচ্ছি না। পেটও কেটে দেওয়া, ডিমও বের করে নেওয়া। অথচ দাম দেওয়া হচ্ছে মোহনার ইলিশের মতো।’
এই প্রতারণা বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই বলে জানিয়েছেন ভোক্তারা। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোয় নিয়মিত এসব ‘ভুয়া অফার’ আসছে, কিন্তু কোনো নজরদারি নেই।
অথচ একজন বিক্রেতা একেক কেজি ইলিশে ৫০০-১০০০ টাকা লাভ করছে, কেউ কেউ আবার ডিম ও পেটকাটা ইলিশ আলাদা করে দ্বিগুণ মুনাফা করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘বাজারে নজরদারি বাড়াতে হবে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোয় বিক্রেতাদের যাচাই-বাছাই করতে হবে। নইলে এ ধরনের প্রতারণা থামবে না।’
তবে এ বিষয়ে কিছু ভোক্তাও সাবধান নন। সস্তার লোভে পড়ে অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন। এক ভোক্তা বলেন, ‘আমি তো মনে করেছিলাম সত্যিই অফার। কিন্তু ইলিশ এনে দেখি স্বাদই আলাদা।’

আপনার মতামত লিখুন