সংবাদ

ত্রিপুরার বৃষ্টিতে আখাউড়ায় ঢল, তলিয়ে গেছে ধানি জমি


প্রতিনিধি, আখাউড়া
প্রতিনিধি, আখাউড়া
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম

ত্রিপুরার বৃষ্টিতে আখাউড়ায় ঢল, তলিয়ে গেছে ধানি জমি
ছবি : সংবাদ

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে টানা ভারী বৃষ্টিতে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল থেকে আসা এই ঢলে উপজেলার প্রায় ২৫০ হেক্টর ধানি জমি তলিয়ে গেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর থেকে পানি নামতে শুরু করায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ আসা এই পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আখাউড়া দক্ষিণ ও মোগড়া ইউনিয়নের আবাদি জমি। রোববার দ্রুত পানি বাড়লেও সোমবার সকাল থেকে হাওড়া নদীর আশপাশের নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করে। তবে কালন্দী খালসংলগ্ন এলাকাগুলোতে দুপুর পর্যন্ত পানি স্থির ছিল। স্বস্তির বিষয় হলো, হাওড়া নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং কোনো লোকালয় বা বসতবাড়িতে পানি ঢোকেনি।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘পাহাড়ি ঢলে কিছু জমি সাময়িকভাবে পানির নিচে চলে গেলেও দ্রুত পানি নেমে যাচ্ছে। ফলে ফসলের বড় কোনো ক্ষতির আশঙ্কা আমরা করছি না।’

পরিস্থিতি সম্পর্কে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘হাওড়া নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কালন্দী খালসংলগ্ন কিছু আবাদি জমিতে এখনো পানি থাকলেও কোনো ঘরবাড়িতে পানি ওঠেনি। এখনো আশ্রয়কেন্দ্র খোলার প্রয়োজন তৈরি হয়নি, তবে আমরা পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছি।’

এদিকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে সেখানকার অভ্যন্তরীণ বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। রাজ্যের ১৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ শতাধিক পরিবারের প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ত্রিপুরায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সীমান্তবর্তী বাংলাদেশ অংশেও পানির চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


ত্রিপুরার বৃষ্টিতে আখাউড়ায় ঢল, তলিয়ে গেছে ধানি জমি

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে টানা ভারী বৃষ্টিতে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল থেকে আসা এই ঢলে উপজেলার প্রায় ২৫০ হেক্টর ধানি জমি তলিয়ে গেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর থেকে পানি নামতে শুরু করায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ আসা এই পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আখাউড়া দক্ষিণ ও মোগড়া ইউনিয়নের আবাদি জমি। রোববার দ্রুত পানি বাড়লেও সোমবার সকাল থেকে হাওড়া নদীর আশপাশের নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করে। তবে কালন্দী খালসংলগ্ন এলাকাগুলোতে দুপুর পর্যন্ত পানি স্থির ছিল। স্বস্তির বিষয় হলো, হাওড়া নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং কোনো লোকালয় বা বসতবাড়িতে পানি ঢোকেনি।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘পাহাড়ি ঢলে কিছু জমি সাময়িকভাবে পানির নিচে চলে গেলেও দ্রুত পানি নেমে যাচ্ছে। ফলে ফসলের বড় কোনো ক্ষতির আশঙ্কা আমরা করছি না।’

পরিস্থিতি সম্পর্কে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘হাওড়া নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কালন্দী খালসংলগ্ন কিছু আবাদি জমিতে এখনো পানি থাকলেও কোনো ঘরবাড়িতে পানি ওঠেনি। এখনো আশ্রয়কেন্দ্র খোলার প্রয়োজন তৈরি হয়নি, তবে আমরা পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছি।’

এদিকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে সেখানকার অভ্যন্তরীণ বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। রাজ্যের ১৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ শতাধিক পরিবারের প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ত্রিপুরায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সীমান্তবর্তী বাংলাদেশ অংশেও পানির চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত