সংবাদ

গাজীপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা, স্বর্ণালংকার লুট


জেলা বার্তা পরিবেশক, গাজীপুর
জেলা বার্তা পরিবেশক, গাজীপুর
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

গাজীপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা, স্বর্ণালংকার লুট
ছবি : সংবাদ

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকায় একটি জুয়েলারি দোকানের ভেতর মালিককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’ নামে ওই দোকান থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যার পর দোকান থেকে কত পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহত ব্যবসায়ীর নাম আবুল কালাম আজাদ (৪২)। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ভোলাইন গ্রামের নোনা মিয়ার ছেলে। তিনি ওই জুয়েলারি দোকানের মালিক ছিলেন। নিহতের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও নিজের দোকানেই ঘুমিয়েছিলেন আবুল কালাম। সাধারণত সকাল ৯টার দিকে তিনি দোকান খুলতেন। তবে আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত দোকানটি বন্ধ দেখে আশপাশের ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে নিহতের ভাই কামাল উদ্দিনসহ স্থানীয়রা দোকানের সামনে গিয়ে দেখেন, শাটারটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। পরে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মেঝেতে কালামের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।

খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে গাছা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে সিআইডি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। তারা দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছেন।

গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। স্বর্ণালংকার লুট করতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


গাজীপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা, স্বর্ণালংকার লুট

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকায় একটি জুয়েলারি দোকানের ভেতর মালিককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’ নামে ওই দোকান থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যার পর দোকান থেকে কত পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহত ব্যবসায়ীর নাম আবুল কালাম আজাদ (৪২)। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ভোলাইন গ্রামের নোনা মিয়ার ছেলে। তিনি ওই জুয়েলারি দোকানের মালিক ছিলেন। নিহতের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও নিজের দোকানেই ঘুমিয়েছিলেন আবুল কালাম। সাধারণত সকাল ৯টার দিকে তিনি দোকান খুলতেন। তবে আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত দোকানটি বন্ধ দেখে আশপাশের ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে নিহতের ভাই কামাল উদ্দিনসহ স্থানীয়রা দোকানের সামনে গিয়ে দেখেন, শাটারটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। পরে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে মেঝেতে কালামের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।

খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে গাছা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে সিআইডি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। তারা দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছেন।

গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। স্বর্ণালংকার লুট করতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত