সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দেশে আসছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ, সৌদি আরবের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ড ১৬ জন বাংলাদেশী কর্মী মৃত্যুবরণ করেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ ফিঙ্গার প্রিন্ট পরীক্ষা করে ৯ জন মৃত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করেছে। ইতোমধ্যে মরদেহসমূহ বাংলাদেশ প্রেরণের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের BG 340 নম্বর ফ্লাইটযোগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪.০৫ ঘটিকায় মৃতদেহসমূহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর সাত জন হলেন, আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো: ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামানিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী এবং বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং উপজেলার মার্কাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতের পরিবার গুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সৌদি আরবে প্রেরণ করাও হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বয় করে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়েছে যাতে মরদেহ গুলো বিনা খরচে আসতে পারে। এখন পর্যন্ত পরিচয় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত জনের মরদেহ আসছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালায়ের বরাত দিয়ে ইউএনও আরও বলেন, সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডের নিহতের ঘটনায় শুরুতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে আত্রাই উপজেলার ১১ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি মরদেহ গুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
\

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দেশে আসছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ, সৌদি আরবের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ড ১৬ জন বাংলাদেশী কর্মী মৃত্যুবরণ করেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ ফিঙ্গার প্রিন্ট পরীক্ষা করে ৯ জন মৃত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করেছে। ইতোমধ্যে মরদেহসমূহ বাংলাদেশ প্রেরণের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের BG 340 নম্বর ফ্লাইটযোগে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪.০৫ ঘটিকায় মৃতদেহসমূহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর সাত জন হলেন, আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো: ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামানিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী এবং বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং উপজেলার মার্কাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতের পরিবার গুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সৌদি আরবে প্রেরণ করাও হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বয় করে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়েছে যাতে মরদেহ গুলো বিনা খরচে আসতে পারে। এখন পর্যন্ত পরিচয় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত জনের মরদেহ আসছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালায়ের বরাত দিয়ে ইউএনও আরও বলেন, সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডের নিহতের ঘটনায় শুরুতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে আত্রাই উপজেলার ১১ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি মরদেহ গুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন