সংবাদ

বম্বে সুইটসের মসলাসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম

বম্বে সুইটসের মসলাসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ির ঘিসহ ১০ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বুধবার (২৬ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (স্ট্যান্ডার্ড) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটস এন্ড কোং লিমিটেডের পাঁচটি মসলা ও বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘিসহ পাঁচটি পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যে পণ্যগুলো প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, কারি পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা। 

এছাড়া বাঘাবাড়ি ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো হচ্ছে, ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি (বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানি), ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি (কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টস), ‘নিউ রাঁধুনী’ ব্র্যান্ডের ঘি (মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট), ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি (মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট) ও ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল (এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস এন্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ)।

পণ্যগুলোর অনুকূলে বিএসটিআই প্রদত্ত লাইসেন্স কেনো বাতিল করা হবে না, মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকার জন্য ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

সম্প্রতি বিএসটিআই নিয়মিত সার্ভিল্যান্সের অংশ হিসেবে বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহ করে আন্তর্জাতিক মানের নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে। এ পরীক্ষায় দেখা যায়, বাঘাবাড়ির ‘ঘি’-তে নেই ‘ঘি’ (মিল্ক ফ্যাট); বরং পাম অলিন, বনস্পতি দিয়ে তৈরি করে ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এছাড়া বম্বে সুইটসের মসলা বাংলাদেশ মান (বিডিএস) থেকে বিভিন্ন প্যারামিটারে নিম্নমানের পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ‘জাতীয় মান অনুসারে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত এবং নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর।’

তিনি জানান, বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রুখতে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

পণ্য ক্রয়ের আগে ক্রেতাদের বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক।

একই সঙ্গে তিনি কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে বিএসটিআই হটলাইন ১৬১১৯ নম্বরে কল করে অথবা dg@bsti.gov.bd ঠিকানায় ই-মেইলের মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


বম্বে সুইটসের মসলাসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ির ঘিসহ ১০ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বুধবার (২৬ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (স্ট্যান্ডার্ড) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটস এন্ড কোং লিমিটেডের পাঁচটি মসলা ও বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘিসহ পাঁচটি পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যে পণ্যগুলো প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, কারি পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা। 

এছাড়া বাঘাবাড়ি ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো হচ্ছে, ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি (বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানি), ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি (কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টস), ‘নিউ রাঁধুনী’ ব্র্যান্ডের ঘি (মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট), ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি (মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট) ও ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল (এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস এন্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ)।

পণ্যগুলোর অনুকূলে বিএসটিআই প্রদত্ত লাইসেন্স কেনো বাতিল করা হবে না, মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকার জন্য ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

সম্প্রতি বিএসটিআই নিয়মিত সার্ভিল্যান্সের অংশ হিসেবে বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহ করে আন্তর্জাতিক মানের নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে। এ পরীক্ষায় দেখা যায়, বাঘাবাড়ির ‘ঘি’-তে নেই ‘ঘি’ (মিল্ক ফ্যাট); বরং পাম অলিন, বনস্পতি দিয়ে তৈরি করে ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এছাড়া বম্বে সুইটসের মসলা বাংলাদেশ মান (বিডিএস) থেকে বিভিন্ন প্যারামিটারে নিম্নমানের পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ‘জাতীয় মান অনুসারে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত এবং নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর।’

তিনি জানান, বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রুখতে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

পণ্য ক্রয়ের আগে ক্রেতাদের বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক।

একই সঙ্গে তিনি কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে বিএসটিআই হটলাইন ১৬১১৯ নম্বরে কল করে অথবা dg@bsti.gov.bd ঠিকানায় ই-মেইলের মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানান।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত