মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়া আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ রমজানের ছুটিতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। ওই রাতে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আছিয়াকে উদ্ধার করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় আছিয়ার মা বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ দ্রুত তদন্ত শেষে হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মাত্র ১৩ কার্যদিবসে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে ২০২৫ সালের ১৭ মে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। মামলার অন্য তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছিল।
আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলে তা অনুমোদনের জন্য উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। আজ শুনানি শেষে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের দেওয়া সেই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেন।
/

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়া আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ রমজানের ছুটিতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। ওই রাতে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আছিয়াকে উদ্ধার করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় আছিয়ার মা বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ দ্রুত তদন্ত শেষে হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মাত্র ১৩ কার্যদিবসে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে ২০২৫ সালের ১৭ মে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। মামলার অন্য তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছিল।
আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলে তা অনুমোদনের জন্য উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। আজ শুনানি শেষে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের দেওয়া সেই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেন।
/

আপনার মতামত লিখুন