চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে তিন দালালকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক আকস্মিকভাবে এ কার্যালয় পরিদর্শনে যান।
পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, দালাল চক্রের হয়রানি ও অনৈতিক লেনদেন ছাড়া কার্যালয়টিতে কোনো কাজ হয় না। সাধারণ মানুষের এমন ভোগান্তির খবর পেয়ে এমপি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক দুপুরে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পাসপোর্ট কার্যালয়ে উপস্থিত হন।
পরিদর্শনকালে তিনি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও নানা অভিযোগ শোনেন। এ সময় তিনি পাসপোর্ট অফিস চত্বরে সক্রিয় দালাল চক্রের তিন সদস্যকে হাতেনাতে ধরে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করেন।
অভিযান শেষে সংসদ সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পাসপোর্ট অফিস একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান। এখানে এসে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিয়মের শিকার হবেন-তা বরদাশত করা হবে না। চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসকে দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত করতে আমাদের কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করে দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে হবে। দালাল চক্র বা কোনো অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে সংসদ সদস্যের এমন আকস্মিক অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকেরা। নিয়মিত এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকলে পাসপোর্ট অফিসের সার্বিক সেবার মান উন্নত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে তিন দালালকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক আকস্মিকভাবে এ কার্যালয় পরিদর্শনে যান।
পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, দালাল চক্রের হয়রানি ও অনৈতিক লেনদেন ছাড়া কার্যালয়টিতে কোনো কাজ হয় না। সাধারণ মানুষের এমন ভোগান্তির খবর পেয়ে এমপি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক দুপুরে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পাসপোর্ট কার্যালয়ে উপস্থিত হন।
পরিদর্শনকালে তিনি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও নানা অভিযোগ শোনেন। এ সময় তিনি পাসপোর্ট অফিস চত্বরে সক্রিয় দালাল চক্রের তিন সদস্যকে হাতেনাতে ধরে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করেন।
অভিযান শেষে সংসদ সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পাসপোর্ট অফিস একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান। এখানে এসে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিয়মের শিকার হবেন-তা বরদাশত করা হবে না। চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসকে দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত করতে আমাদের কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করে দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে হবে। দালাল চক্র বা কোনো অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে সংসদ সদস্যের এমন আকস্মিক অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকেরা। নিয়মিত এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকলে পাসপোর্ট অফিসের সার্বিক সেবার মান উন্নত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন