অবশেষে দেশের কোটি মানুষের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল কাঙ্ক্ষিত নবম পে-স্কেল অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার
বিকেল ৫টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় এগারো বছর পর নতুন
এই বেতন কাঠামো অনুমোদন
হলো।
বৈঠক
সূত্রে জানা যায়, সচিব
কমিটির সুপারিশের আলোকে উত্থাপিত নতুন বেতন কাঠামো
ও ভাতাদি নির্ধারণের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, বিগত ২০১৫ সালের
পে-স্কেলের তুলনায় বেতন সর্বনিম্ন ১০০
থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত
বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন
স্কেলে সর্বোচ্চ গ্রেড-১-এর জন্য
১ লাখ ৫৬ হাজার
টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম
গ্রেডের জন্য ২০ হাজার
টাকা মূল বেতন নির্ধারণ
করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে
কার্যকর হওয়া নতুন বেতন
কাঠামোর মূল বেতন ধাপে
ধাপে পরিশোধ করা হবে। মন্ত্রিসভার
এই অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারির
প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে যাচ্ছে
সংশ্লিষ্ট বিভাগ। প্রয়োজনীয় আইনি যাচাই ও
প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে এক থেকে
দুই সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে
বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে সোমবার সকালেই
নতুন পে-স্কেলের আর্থিক
প্রভাব ও প্রয়োজনীয় অর্থের
সংস্থান নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক
উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার
উপস্থিত থেকে সার্বিক বিষয়
তুলে ধরেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম
পে-স্কেল বাস্তবায়িত হওয়ার পর দীর্ঘ ১১
বছর ধরে একই কাঠামোর
ওপর নির্ভর করে আসছিলেন চাকরিজীবীরা।
দীর্ঘ এই সময় পর
নতুন পে-স্কেল অনুমোদিত
হওয়ায় দেশের প্রায় চৌদ্দ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নয় লাখ পেনশনভোগী
এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বড় ধরনের আর্থিক
সুরক্ষার আওতায় আসতে যাচ্ছেন। মন্ত্রিসভার
এই সিদ্ধান্তের পর এখন কেবল
আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা চলছে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
অবশেষে দেশের কোটি মানুষের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল কাঙ্ক্ষিত নবম পে-স্কেল অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার
বিকেল ৫টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় এগারো বছর পর নতুন
এই বেতন কাঠামো অনুমোদন
হলো।
বৈঠক
সূত্রে জানা যায়, সচিব
কমিটির সুপারিশের আলোকে উত্থাপিত নতুন বেতন কাঠামো
ও ভাতাদি নির্ধারণের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, বিগত ২০১৫ সালের
পে-স্কেলের তুলনায় বেতন সর্বনিম্ন ১০০
থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত
বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন
স্কেলে সর্বোচ্চ গ্রেড-১-এর জন্য
১ লাখ ৫৬ হাজার
টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম
গ্রেডের জন্য ২০ হাজার
টাকা মূল বেতন নির্ধারণ
করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে
কার্যকর হওয়া নতুন বেতন
কাঠামোর মূল বেতন ধাপে
ধাপে পরিশোধ করা হবে। মন্ত্রিসভার
এই অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারির
প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে যাচ্ছে
সংশ্লিষ্ট বিভাগ। প্রয়োজনীয় আইনি যাচাই ও
প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে এক থেকে
দুই সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে
বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে সোমবার সকালেই
নতুন পে-স্কেলের আর্থিক
প্রভাব ও প্রয়োজনীয় অর্থের
সংস্থান নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক
উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার
উপস্থিত থেকে সার্বিক বিষয়
তুলে ধরেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম
পে-স্কেল বাস্তবায়িত হওয়ার পর দীর্ঘ ১১
বছর ধরে একই কাঠামোর
ওপর নির্ভর করে আসছিলেন চাকরিজীবীরা।
দীর্ঘ এই সময় পর
নতুন পে-স্কেল অনুমোদিত
হওয়ায় দেশের প্রায় চৌদ্দ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নয় লাখ পেনশনভোগী
এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বড় ধরনের আর্থিক
সুরক্ষার আওতায় আসতে যাচ্ছেন। মন্ত্রিসভার
এই সিদ্ধান্তের পর এখন কেবল
আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন