দেশের উচ্চশিক্ষার আঙিনায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু করতে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
ইতোমধ্যে
দেশের সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্ব স্ব ভর্তি
পরীক্ষার প্রাথমিক সময়সূচি ঘোষণা করলেও, লাখো শিক্ষার্থীর কাঙ্ক্ষিত
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সূচি নিয়ে এখনো
ধোঁয়াশা কাটেনি।
তবে
খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে
বসবেন এবং সেখান থেকেই
গুচ্ছ ভর্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন
নীতিনির্ধারকরা।
ভর্তিপ্রক্রিয়া
নিয়ে জানতে চাইলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক
এ কে এম মতিনুর
রহমান বলেন, ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের একটি মিটিং হবে।
ওই মিটিংয়ের আগে এ বিষয়ে
আমি কিছু বলতে পারছি
না। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়
গুচ্ছে থাকবে বা কবে ভর্তি
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা মিটিংয়ের
পর বলতে পারবো।
গত শিক্ষাবর্ষগুলোতে সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ধারার
প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় এই
গুচ্ছ পদ্ধতির আওতায় ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছিল। যেখানে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার
আসনের বিপরীতে লড়াই করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।
তবে এবার এই প্রক্রিয়ার
নেতৃত্ব কে দেবে কিংবা
কোন কোন প্রতিষ্ঠান গুচ্ছে
অংশ নেবে, তা নিয়ে এখনো
আনুষ্ঠানিক কোনো রূপরেখা চূড়ান্ত
হয়নি।
এ বিষয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
(নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী
বলেন, গুচ্ছ ভর্তি কমিটির মিটিং নিয়ে এখনো কোনো
সিদ্ধান্ত হয়নি। এবার কোন বিশ্ববিদ্যালয়
গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সেই সিদ্ধান্তও হয়নি।
এর আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
দায়িত্ব পালন করেছে। তার
আগে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
দায়িত্বে ছিল। এবারও যে
কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে দায়িত্ব
নিতে হবে। সেটি মিটিংয়ে
ঠিক করা হবে।
একই
সুরে কথা বলেছেন বেগম
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত
আলীও। তিনি বলেন, এর
আগে একটা মিটিং হয়েছে।
সে মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সামনে আরও মিটিং আছে।
সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে কবে
পরীক্ষা হবে এবং কোন
বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব নেবে।
সাধারণত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় এই
গুচ্ছ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খুব দ্রুত আয়োজিতব্য
বিশেষ বৈঠকে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি
পরীক্ষার তারিখ, পদ্ধতি ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান
চূড়ান্ত করা হবে বলে
আশা করা যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
দেশের উচ্চশিক্ষার আঙিনায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু করতে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
ইতোমধ্যে
দেশের সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্ব স্ব ভর্তি
পরীক্ষার প্রাথমিক সময়সূচি ঘোষণা করলেও, লাখো শিক্ষার্থীর কাঙ্ক্ষিত
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সূচি নিয়ে এখনো
ধোঁয়াশা কাটেনি।
তবে
খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে
বসবেন এবং সেখান থেকেই
গুচ্ছ ভর্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন
নীতিনির্ধারকরা।
ভর্তিপ্রক্রিয়া
নিয়ে জানতে চাইলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক
এ কে এম মতিনুর
রহমান বলেন, ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের একটি মিটিং হবে।
ওই মিটিংয়ের আগে এ বিষয়ে
আমি কিছু বলতে পারছি
না। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়
গুচ্ছে থাকবে বা কবে ভর্তি
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা মিটিংয়ের
পর বলতে পারবো।
গত শিক্ষাবর্ষগুলোতে সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ধারার
প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় এই
গুচ্ছ পদ্ধতির আওতায় ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছিল। যেখানে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার
আসনের বিপরীতে লড়াই করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।
তবে এবার এই প্রক্রিয়ার
নেতৃত্ব কে দেবে কিংবা
কোন কোন প্রতিষ্ঠান গুচ্ছে
অংশ নেবে, তা নিয়ে এখনো
আনুষ্ঠানিক কোনো রূপরেখা চূড়ান্ত
হয়নি।
এ বিষয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
(নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী
বলেন, গুচ্ছ ভর্তি কমিটির মিটিং নিয়ে এখনো কোনো
সিদ্ধান্ত হয়নি। এবার কোন বিশ্ববিদ্যালয়
গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সেই সিদ্ধান্তও হয়নি।
এর আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
দায়িত্ব পালন করেছে। তার
আগে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
দায়িত্বে ছিল। এবারও যে
কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে দায়িত্ব
নিতে হবে। সেটি মিটিংয়ে
ঠিক করা হবে।
একই
সুরে কথা বলেছেন বেগম
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত
আলীও। তিনি বলেন, এর
আগে একটা মিটিং হয়েছে।
সে মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সামনে আরও মিটিং আছে।
সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে কবে
পরীক্ষা হবে এবং কোন
বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব নেবে।
সাধারণত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় এই
গুচ্ছ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খুব দ্রুত আয়োজিতব্য
বিশেষ বৈঠকে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি
পরীক্ষার তারিখ, পদ্ধতি ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান
চূড়ান্ত করা হবে বলে
আশা করা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন