রাজবাড়ীর গোয়ালন্দঘাটে শিক্ষার্থী রিপন মন্ডল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল পত্তনদার (৪৫)কে নড়াইল থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। ভারত থেকে ফিরে কন্ট্রাক্ট কিলিং মিশনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তিনি।
র্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের অভিযানিক দল ৩০ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৫টায় নড়াইল সদর থানার কালিয়া রোড ভবানীপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
২০১৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর গোয়ালন্দঘাটের দৌলতদিয়া এলাকায় গুলি করে শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম রিপন মন্ডলকে হত্যা করেন জামাল পত্তনদার। ওই ঘটনায় হত্যা মামলা হয়। ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
রায়ের পর থেকেই জামাল পত্তনদার ভারতে পালিয়ে যান। গত ১০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাকে দক্ষিণ মুম্বাইয়ের কামাঠিপুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। কয়েক মাস ভারতের কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি প্রায় দুই মাস আগে কৌশলে পুশব্যাকের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
র্যাব জানায়, বাংলাদেশে ফেরার পর তাকে নজরদারিতে রাখা হয়। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, তিনি আবার কন্ট্রাক্ট কিলিং মিশনে অংশ নিয়ে হত্যাকাণ্ড শেষে ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সে তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও দুটি অস্ত্র, দুটি মাদক, একটি ডাকাতির প্রস্তুতি ও একটি চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দঘাটে শিক্ষার্থী রিপন মন্ডল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল পত্তনদার (৪৫)কে নড়াইল থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। ভারত থেকে ফিরে কন্ট্রাক্ট কিলিং মিশনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তিনি।
র্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের অভিযানিক দল ৩০ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৫টায় নড়াইল সদর থানার কালিয়া রোড ভবানীপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
২০১৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর গোয়ালন্দঘাটের দৌলতদিয়া এলাকায় গুলি করে শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম রিপন মন্ডলকে হত্যা করেন জামাল পত্তনদার। ওই ঘটনায় হত্যা মামলা হয়। ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
রায়ের পর থেকেই জামাল পত্তনদার ভারতে পালিয়ে যান। গত ১০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাকে দক্ষিণ মুম্বাইয়ের কামাঠিপুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। কয়েক মাস ভারতের কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি প্রায় দুই মাস আগে কৌশলে পুশব্যাকের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
র্যাব জানায়, বাংলাদেশে ফেরার পর তাকে নজরদারিতে রাখা হয়। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, তিনি আবার কন্ট্রাক্ট কিলিং মিশনে অংশ নিয়ে হত্যাকাণ্ড শেষে ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সে তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও দুটি অস্ত্র, দুটি মাদক, একটি ডাকাতির প্রস্তুতি ও একটি চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন