নওগাঁ সদরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৪২ কেজি গাঁজাসহ মাহমুদুল হাসান রুবেল (৩৭) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাতে উপজেলার ফতেহপুর মুন্সিপাড়া এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান রুবেল ফতেহপুর মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত রুহুল আমীনের ছেলে।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ভোররাত চারটার দিকে রুবেলের বাড়ি ঘেরাও করে। পরে স্থানীয় অধিবাসীদের উপস্থিতিতে ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার শয়নকক্ষে থাকা একটি টিনের ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে ১১টি পুঁটলিতে সুকৌশলে লুকানো মোট ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেন ডিবি সদস্যরা।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় মাদক কারবারের প্রধান নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। টানা দুই মাসের গোয়েন্দা নজরদারির পর তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি নিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এ চক্রের অন্য সহযোগীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁ সদরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৪২ কেজি গাঁজাসহ মাহমুদুল হাসান রুবেল (৩৭) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাতে উপজেলার ফতেহপুর মুন্সিপাড়া এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান রুবেল ফতেহপুর মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত রুহুল আমীনের ছেলে।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ভোররাত চারটার দিকে রুবেলের বাড়ি ঘেরাও করে। পরে স্থানীয় অধিবাসীদের উপস্থিতিতে ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার শয়নকক্ষে থাকা একটি টিনের ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে ১১টি পুঁটলিতে সুকৌশলে লুকানো মোট ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেন ডিবি সদস্যরা।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় মাদক কারবারের প্রধান নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। টানা দুই মাসের গোয়েন্দা নজরদারির পর তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি নিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এ চক্রের অন্য সহযোগীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন