রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরের পাকা সড়ক উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে পদ্মার মধ্যে পলাশিফতেপুর, দাদপুর, চকরাজাপুরসহ ১৫টি চরের মানুষ আতঙ্কে পড়েছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে চকরাজাপুর-খয়েরহাট খেয়াঘাট সড়কের মাঝামাঝি স্থানের পাকা রাস্তা দিয়ে পানি প্রবাহিত হতে দেখা যায়।
বাঘা উপজেলার পদ্মার ১৫টি চরের বেশির ভাগ মানুষই ভূমিহীন ও অসহায়। তারা শুকনো মৌসুমে কৃষিকাজ ও বর্ষায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। চরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত ধীরগতির। এসব মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই টিকে আছেন।
চকরাজাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বাড়ছে। ইতিমধ্যে পাকা রাস্তা ডুবিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এখন রাস্তার ওপর হাঁটুপানি, যা পার হতে হিমশিম খাচ্ছেন স্থানীয়রা।
কালিদাসখালী চরের কলেজছাত্র মিলন খান বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই চরে বসবাস করতে হচ্ছে। পানি বাড়ায় অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। আমরা সবাই আতঙ্কে আছি।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার ও সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম জানান, গত কয়েক বছরে পদ্মার ভাঙনে প্রায় সহস্রাধিক বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, বিজিবি ক্যাম্প ও হাজার হাজার বিঘা আবাদি-অনাবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে গৃহহীন হয়েছেন হাজারো পরিবার।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ ১৫টি চর নিয়ে গঠিত। পদ্মার পানি ক্রমাগত বাড়ায় চরবাসী স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরের পাকা সড়ক উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে পদ্মার মধ্যে পলাশিফতেপুর, দাদপুর, চকরাজাপুরসহ ১৫টি চরের মানুষ আতঙ্কে পড়েছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে চকরাজাপুর-খয়েরহাট খেয়াঘাট সড়কের মাঝামাঝি স্থানের পাকা রাস্তা দিয়ে পানি প্রবাহিত হতে দেখা যায়।
বাঘা উপজেলার পদ্মার ১৫টি চরের বেশির ভাগ মানুষই ভূমিহীন ও অসহায়। তারা শুকনো মৌসুমে কৃষিকাজ ও বর্ষায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। চরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত ধীরগতির। এসব মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই টিকে আছেন।
চকরাজাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বাড়ছে। ইতিমধ্যে পাকা রাস্তা ডুবিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এখন রাস্তার ওপর হাঁটুপানি, যা পার হতে হিমশিম খাচ্ছেন স্থানীয়রা।
কালিদাসখালী চরের কলেজছাত্র মিলন খান বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই চরে বসবাস করতে হচ্ছে। পানি বাড়ায় অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। আমরা সবাই আতঙ্কে আছি।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার ও সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম জানান, গত কয়েক বছরে পদ্মার ভাঙনে প্রায় সহস্রাধিক বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, বিজিবি ক্যাম্প ও হাজার হাজার বিঘা আবাদি-অনাবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে গৃহহীন হয়েছেন হাজারো পরিবার।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ ১৫টি চর নিয়ে গঠিত। পদ্মার পানি ক্রমাগত বাড়ায় চরবাসী স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন