আদালতের বেঞ্চ ও বারের সমন্বয়হীনতা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ তিন বিচারকের আদালত বর্জন করে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন আইনজীবীরা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় চাঁদপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শামছুল ইসলাম মন্টুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সালের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু বলেন, ‘আজ নিয়ে টানা আট দিন আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। বার ও বেঞ্চের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় না থাকলে আইনজীবীরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করার এখতিয়ার রাখেন না।’ দাবিগুলো যুক্তিসংগত হওয়ায় সাধারণ আইনজীবীদের সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একই দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা। ৯ সেপ্টেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত সাধারণ সভায় অভিযুক্ত তিন বিচারকের আদালত বর্জনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বর্জনের মুখে পড়া তিন বিচারক হলেন–চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (অঞ্চল-১) পলাশ বর্ধন এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজ শম্পা ইসলাম।
আইনজীবীদের টানা আন্দোলন ও আদালত বর্জনের ফলে বিচারপ্রার্থীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এবং বিচারকাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আদালতের বেঞ্চ ও বারের সমন্বয়হীনতা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ তিন বিচারকের আদালত বর্জন করে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন আইনজীবীরা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় চাঁদপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শামছুল ইসলাম মন্টুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সালের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু বলেন, ‘আজ নিয়ে টানা আট দিন আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। বার ও বেঞ্চের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় না থাকলে আইনজীবীরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করার এখতিয়ার রাখেন না।’ দাবিগুলো যুক্তিসংগত হওয়ায় সাধারণ আইনজীবীদের সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একই দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা। ৯ সেপ্টেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত সাধারণ সভায় অভিযুক্ত তিন বিচারকের আদালত বর্জনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বর্জনের মুখে পড়া তিন বিচারক হলেন–চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (অঞ্চল-১) পলাশ বর্ধন এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজ শম্পা ইসলাম।
আইনজীবীদের টানা আন্দোলন ও আদালত বর্জনের ফলে বিচারপ্রার্থীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এবং বিচারকাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আপনার মতামত লিখুন