‘যুবার হাতেই দিন বদল’–এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালায় যুব-নেতৃত্বাধীন নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তালা উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটি সদস্যদের সমন্বয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সিডো’র বাস্তবায়নে এবং অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এফআরটি প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা।
সিডোর প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান ও ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ভূমিজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অচিন্ত্য সাহা, রূপালীর পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক, নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিবু প্রসাদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের দেবোকী রায়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মো. কামাল হোসেন, পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বি এম জুলফিকার রায়হান, দলিত নেতা দিলীপ দাস এবং সিডোর প্রকল্প কর্মকর্তা শেখর হালদার।
মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে নেক্সাসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন যুব প্রতিনিধি ইমতি জামিল। এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন যুব প্রতিনিধি আমীর হামজা, জুয়েল রানা, ফিরোজা খাতুন ও রিংকু।
সভায় জানানো হয়, নেক্সাসের মূল লক্ষ্য হলো মানবিক সহায়তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং সামাজিক শান্তি ও সুরক্ষাকে সমন্বিত পদ্ধতির মাধ্যমে সাতক্ষীরার দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বহুমাত্রিক ঝুঁকি হ্রাস করা। একই সঙ্গে যুব নেতৃত্ব বিকাশ এবং সরকারি-বেসরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি, বাজেট ও পরিষেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।
সভায় এলাকার মূল সংকটগুলোর মধ্যে জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সংকট, টেকসই জীবিকার অভাব, সাইবার অপরাধ, নারীর প্রতি সহিংসতা, যুবদের মাদকাসক্তি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘যুবার হাতেই দিন বদল’–এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালায় যুব-নেতৃত্বাধীন নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তালা উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটি সদস্যদের সমন্বয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সিডো’র বাস্তবায়নে এবং অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এফআরটি প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা।
সিডোর প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান ও ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ভূমিজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অচিন্ত্য সাহা, রূপালীর পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক, নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিবু প্রসাদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের দেবোকী রায়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মো. কামাল হোসেন, পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বি এম জুলফিকার রায়হান, দলিত নেতা দিলীপ দাস এবং সিডোর প্রকল্প কর্মকর্তা শেখর হালদার।
মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে নেক্সাসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন যুব প্রতিনিধি ইমতি জামিল। এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন যুব প্রতিনিধি আমীর হামজা, জুয়েল রানা, ফিরোজা খাতুন ও রিংকু।
সভায় জানানো হয়, নেক্সাসের মূল লক্ষ্য হলো মানবিক সহায়তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং সামাজিক শান্তি ও সুরক্ষাকে সমন্বিত পদ্ধতির মাধ্যমে সাতক্ষীরার দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বহুমাত্রিক ঝুঁকি হ্রাস করা। একই সঙ্গে যুব নেতৃত্ব বিকাশ এবং সরকারি-বেসরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি, বাজেট ও পরিষেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।
সভায় এলাকার মূল সংকটগুলোর মধ্যে জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সংকট, টেকসই জীবিকার অভাব, সাইবার অপরাধ, নারীর প্রতি সহিংসতা, যুবদের মাদকাসক্তি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

আপনার মতামত লিখুন