গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
বুধবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় তথ্যমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টিকে একটি বড় উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। বিগত সতেরো বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক ধারা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার কখনোই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না।
ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে সকল অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এ সময় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ ব্যবহার নিয়ে কাজ করার তাগিদ দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপপ্রচারের কারণে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অপপ্রচার চালানো হয়। নাগরিকরা যাতে এসব মাধ্যম নিরাপদে ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতির প্রশংসা করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
এছাড়া রোহিঙ্গা সংকটেও যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহযোগিতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই সরকার দায়িত্বশীল ও সৎ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
বুধবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় তথ্যমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টিকে একটি বড় উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। বিগত সতেরো বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক ধারা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার কখনোই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না।
ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে সকল অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এ সময় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ ব্যবহার নিয়ে কাজ করার তাগিদ দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপপ্রচারের কারণে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অপপ্রচার চালানো হয়। নাগরিকরা যাতে এসব মাধ্যম নিরাপদে ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতির প্রশংসা করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
এছাড়া রোহিঙ্গা সংকটেও যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহযোগিতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন