টেলিগ্রাম অ্যাপসের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দিয়ে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎকারী একটি সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাত ৮টার সময় সিআইডির একটি অভিযানকারী দল কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন–মোঃ জুলহাস উদ্দিন (৩৯), এবং প্রহড় (২৮)।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মেহেদি হক নিয়ন (৪৯)-কে ২৪ আগস্ট অনলাইন প্রতারক চক্র টেলিগ্রাম অ্যাপসের একটি আইডির মাধ্যমে Zales জুয়েলারী নামীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেয়। বাদী উক্ত প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দেখে চাকরি করতে আগ্রহী হলে প্রতারক চক্রটি কৌশলে একটি ফিশিং লিংক তৈরি করে তার মাধ্যমে বাদীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করে। প্রথমে বাদীকে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বাদীকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়।
একপর্যায়ে প্রতারক চক্রটি বাদীকে বিভিন্ন রাউন্ডে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে। অর্ডার সম্পন্ন করার সময় বাদীর অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কের মুনাফা প্রদর্শন করা হয় এবং পরবর্তী অর্ডার সম্পন্ন ও প্রদর্শিত মুনাফার টাকা উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা জমা দিতে বলা হয়। প্রতারক চক্রের কথায় বিশ্বাস করে বাদী বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে একাধিক দফায় টাকা প্রেরণ করেন। এভাবে বিভিন্ন কৌশলে প্রতারক চক্রটি বাদীর কাছ থেকে মোট ৯৪ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করে।
সিআইডি মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করার পর বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে চক্রের ১২ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭ সেপ্টেম্বর তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডির একটি অভিযানকারী দল কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার ১৯ নং এজাহারনামীয় আসামি মোঃ জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি প্রহড়কেও গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদেরকে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
/

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টেলিগ্রাম অ্যাপসের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দিয়ে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎকারী একটি সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাত ৮টার সময় সিআইডির একটি অভিযানকারী দল কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন–মোঃ জুলহাস উদ্দিন (৩৯), এবং প্রহড় (২৮)।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মেহেদি হক নিয়ন (৪৯)-কে ২৪ আগস্ট অনলাইন প্রতারক চক্র টেলিগ্রাম অ্যাপসের একটি আইডির মাধ্যমে Zales জুয়েলারী নামীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেয়। বাদী উক্ত প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দেখে চাকরি করতে আগ্রহী হলে প্রতারক চক্রটি কৌশলে একটি ফিশিং লিংক তৈরি করে তার মাধ্যমে বাদীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করে। প্রথমে বাদীকে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বাদীকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়।
একপর্যায়ে প্রতারক চক্রটি বাদীকে বিভিন্ন রাউন্ডে ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে। অর্ডার সম্পন্ন করার সময় বাদীর অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কের মুনাফা প্রদর্শন করা হয় এবং পরবর্তী অর্ডার সম্পন্ন ও প্রদর্শিত মুনাফার টাকা উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা জমা দিতে বলা হয়। প্রতারক চক্রের কথায় বিশ্বাস করে বাদী বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে একাধিক দফায় টাকা প্রেরণ করেন। এভাবে বিভিন্ন কৌশলে প্রতারক চক্রটি বাদীর কাছ থেকে মোট ৯৪ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করে।
সিআইডি মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করার পর বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে চক্রের ১২ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭ সেপ্টেম্বর তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডির একটি অভিযানকারী দল কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার ১৯ নং এজাহারনামীয় আসামি মোঃ জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি প্রহড়কেও গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদেরকে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন