রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পাঁচদিন পর গুলশান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।
বুধবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদেশে জানানো হয়, প্রশাসনিক কারণে বুধবার পূর্বাহ্নেই তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের কেএফসি-সংলগ্ন গলিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অতর্কিত একটি মিছিল বের করে। পুলিশ বাধা দিতে গেলে মিছিলকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে। ওই ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে দুজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি তাজা ককটেল উদ্ধার করে। পরবর্তীতে এই নাশকতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের বিষয়ে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তবে শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বেলা ১১টার দিকে জুমার নামাজ আদায়ের কথা বলে সেখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা তথ্য ছিল, কিন্তু শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পাঁচদিন পর গুলশান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।
বুধবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদেশে জানানো হয়, প্রশাসনিক কারণে বুধবার পূর্বাহ্নেই তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের কেএফসি-সংলগ্ন গলিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অতর্কিত একটি মিছিল বের করে। পুলিশ বাধা দিতে গেলে মিছিলকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে। ওই ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে দুজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি তাজা ককটেল উদ্ধার করে। পরবর্তীতে এই নাশকতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের বিষয়ে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তবে শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বেলা ১১টার দিকে জুমার নামাজ আদায়ের কথা বলে সেখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা তথ্য ছিল, কিন্তু শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন