সংবাদ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে ২০২৯ সালের জুনে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে ২০২৯ সালের জুনে

গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনের পরিবর্তে ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের বর্তমান অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, বহু কাঙ্ক্ষিত এই মেগা প্রকল্পটি দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোয়নি এবং বিগত সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন এটি নিয়ে তেমন আন্তরিক মনোযোগ দেয়নি। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে জোরদার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

যার ফলে ইতিমধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় ৫৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ কালক্ষেপণের পর বর্তমানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের সামগ্রিক ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই পুরো প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের কাজের মধ্যে ৫টির অগ্রগতি আশানুরূপ না হলেও বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ অত্যন্ত সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলেছে।

যেসব প্যাকেজের কাজে বিচ্যুতি বা শ্লথগতি রয়েছে, তা কঠোরভাবে তদারকি করে দ্রুত গতিশীল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

দীর্ঘদিনের এই স্থবিরতার কারণে সাধারণ মানুষকে সাময়িক জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার এই দুর্ভোগ লাঘবে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বদ্ধপরিকর।

প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেন, চুক্তিভিত্তিক দরপত্র অনুসারে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পন্ন করে তা সর্বসাধারণের যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। মহাসড়কটি দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কৌশলগত ভূমিকা পালন করায় সরকার এর মান ও সময়সীমার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মহাসড়কের কাজ শেষ হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে ২০২৯ সালের জুনে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনের পরিবর্তে ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের বর্তমান অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, বহু কাঙ্ক্ষিত এই মেগা প্রকল্পটি দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোয়নি এবং বিগত সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন এটি নিয়ে তেমন আন্তরিক মনোযোগ দেয়নি। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে জোরদার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

যার ফলে ইতিমধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় ৫৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ কালক্ষেপণের পর বর্তমানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের সামগ্রিক ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই পুরো প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের কাজের মধ্যে ৫টির অগ্রগতি আশানুরূপ না হলেও বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ অত্যন্ত সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলেছে।

যেসব প্যাকেজের কাজে বিচ্যুতি বা শ্লথগতি রয়েছে, তা কঠোরভাবে তদারকি করে দ্রুত গতিশীল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

দীর্ঘদিনের এই স্থবিরতার কারণে সাধারণ মানুষকে সাময়িক জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার এই দুর্ভোগ লাঘবে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বদ্ধপরিকর।

প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেন, চুক্তিভিত্তিক দরপত্র অনুসারে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পন্ন করে তা সর্বসাধারণের যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। মহাসড়কটি দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কৌশলগত ভূমিকা পালন করায় সরকার এর মান ও সময়সীমার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মহাসড়কের কাজ শেষ হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত