নরসিংদী সদরে নিজ নাবালিকা কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি ভিডিও ধারণের অভিযোগে বাবা মো. হালিম মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। চার জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর নরসিংদী সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মামা। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং অপরাধীর শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মামলার পর পুলিশ আসামিকে ধরতে অভিযান শুরু করে। নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ ও সিলেটের গোয়াইনঘাটে অভিযানের পর অবশেষে গত ১৭-১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মাইজভাণ্ডারী দরবার শরীফ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সদর থানা-পুলিশের যৌথ দল।
পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল হান্নানের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে দ্রুত আদালতে সোপর্দ করে মামলার আইনানুগ তদন্ত শেষ করা হবে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নরসিংদী সদরে নিজ নাবালিকা কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি ভিডিও ধারণের অভিযোগে বাবা মো. হালিম মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। চার জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর নরসিংদী সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মামা। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং অপরাধীর শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মামলার পর পুলিশ আসামিকে ধরতে অভিযান শুরু করে। নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ ও সিলেটের গোয়াইনঘাটে অভিযানের পর অবশেষে গত ১৭-১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মাইজভাণ্ডারী দরবার শরীফ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সদর থানা-পুলিশের যৌথ দল।
পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল হান্নানের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে দ্রুত আদালতে সোপর্দ করে মামলার আইনানুগ তদন্ত শেষ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন