জ্বালানি সংকটের এই দুঃসময়ে দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে বড় ধরনের আশার বাণী শোনালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮নং কূপ থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যকার সকল পার্থক্য একেবারে শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।
জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ও শিল্প খাত দীর্ঘদিন ধরে যে কষ্ট ভোগ করছে তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ মোট ১৫০টি নতুন কূপ খননের যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তারই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খননের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে নতুন এই কূপটি থেকে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হওয়ায় তা দেশের শিল্প কারখানার চাকা সচল রাখতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নতুন এই গ্যাসফিল্ডের সুফল তুলে ধরে প্রকল্প পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না জানান, কূপটির ওয়েলহেড শাট-ইন প্রেসার ৩৬০০ পিএসআই এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ২১০০ পিএসআই থাকার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকে নির্বিঘ্নে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম আরও যোগ করেন, দীর্ঘ পাঁচ মাসের নিরলস প্রচেষ্টায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই কূপটি থেকে পরীক্ষামূলক সফলতার পর আজ থেকে পুরোদমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস যুক্ত হলো, যা আমদানির ওপর দেশের অতিরিক্ত নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে।
সরকারের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশীয় উৎস থেকে অনশোর ও অফশোর উভয় ক্ষেত্রে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও জোরালো করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ৫ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, তা অর্জিত হলে দেশের সামগ্রিক গ্যাসের চাহিদা শতভাগ পূরণ করা সম্ভব হবে এবং বর্তমানের এই সংকট চিরতরে দূর হবে।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি সংকটের এই দুঃসময়ে দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে বড় ধরনের আশার বাণী শোনালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮নং কূপ থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যকার সকল পার্থক্য একেবারে শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।
জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ও শিল্প খাত দীর্ঘদিন ধরে যে কষ্ট ভোগ করছে তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ মোট ১৫০টি নতুন কূপ খননের যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তারই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খননের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে নতুন এই কূপটি থেকে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হওয়ায় তা দেশের শিল্প কারখানার চাকা সচল রাখতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নতুন এই গ্যাসফিল্ডের সুফল তুলে ধরে প্রকল্প পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না জানান, কূপটির ওয়েলহেড শাট-ইন প্রেসার ৩৬০০ পিএসআই এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ২১০০ পিএসআই থাকার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকে নির্বিঘ্নে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম আরও যোগ করেন, দীর্ঘ পাঁচ মাসের নিরলস প্রচেষ্টায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই কূপটি থেকে পরীক্ষামূলক সফলতার পর আজ থেকে পুরোদমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস যুক্ত হলো, যা আমদানির ওপর দেশের অতিরিক্ত নির্ভরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে।
সরকারের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশীয় উৎস থেকে অনশোর ও অফশোর উভয় ক্ষেত্রে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও জোরালো করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ৫ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, তা অর্জিত হলে দেশের সামগ্রিক গ্যাসের চাহিদা শতভাগ পূরণ করা সম্ভব হবে এবং বর্তমানের এই সংকট চিরতরে দূর হবে।

আপনার মতামত লিখুন