সংবাদ

ঢাবির আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে চালু হচ্ছে নতুন ৬ ভাষা কোর্স


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম

ঢাবির আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে চালু হচ্ছে নতুন ৬ ভাষা কোর্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণ ও গতিশীল করার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকারের ভাষা শিক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য রেখে এবং বলা ও শোনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আরবি, ফরাসি, জাপানিজ, জার্মান, চীনা ও কোরিয়ান ভাষার জন্য নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে। গত সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত ‘শিক্ষাক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক এক বিশেষ সেমিনারে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, "বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে আগ্রহী বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি ও বয়সী লোকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে তৃতীয় ভাষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে কার্যকর কোর্স ডিজাইন ও কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।"

উপাচার্য আরও যোগ করেন, "এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।"

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদেদ্দী আলফেছানীও মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর গঠিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আ ক ম ওয়ালিউল ইসলাম সেমিনারে মূল ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।

নতুন এই কার্যক্রমে ব্যাকরণের মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে তৃতীয় ভাষায় সাবলীলভাবে শোনা ও বলাকে প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্নকারী সব বয়সের মানুষের জন্য এই কোর্স উন্মুক্ত রাখা এবং কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিষ্টাচার ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা বিষয়বস্তু হিসেবে যুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

পাহাড়ি বা দ্বীপ অঞ্চলের মতো এখানেও দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে দেশের বেকার যুবকদের জন্য বৈদেশিক বাজারে নতুন কর্মসংস্থানের দরজা উন্মুক্ত করার বড় লক্ষ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, এই আধুনিক পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দেশের তরুণ সমাজ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঢাবির আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে চালু হচ্ছে নতুন ৬ ভাষা কোর্স

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণ ও গতিশীল করার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকারের ভাষা শিক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য রেখে এবং বলা ও শোনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আরবি, ফরাসি, জাপানিজ, জার্মান, চীনা ও কোরিয়ান ভাষার জন্য নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে। গত সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত ‘শিক্ষাক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক এক বিশেষ সেমিনারে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, "বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে আগ্রহী বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি ও বয়সী লোকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে তৃতীয় ভাষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে কার্যকর কোর্স ডিজাইন ও কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।"

উপাচার্য আরও যোগ করেন, "এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।"

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদেদ্দী আলফেছানীও মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর গঠিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আ ক ম ওয়ালিউল ইসলাম সেমিনারে মূল ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।

নতুন এই কার্যক্রমে ব্যাকরণের মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে তৃতীয় ভাষায় সাবলীলভাবে শোনা ও বলাকে প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্নকারী সব বয়সের মানুষের জন্য এই কোর্স উন্মুক্ত রাখা এবং কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিষ্টাচার ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা বিষয়বস্তু হিসেবে যুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

পাহাড়ি বা দ্বীপ অঞ্চলের মতো এখানেও দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে দেশের বেকার যুবকদের জন্য বৈদেশিক বাজারে নতুন কর্মসংস্থানের দরজা উন্মুক্ত করার বড় লক্ষ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, এই আধুনিক পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দেশের তরুণ সমাজ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত