সংবাদ

রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী


মহসীন ইসলাম টুটুল
মহসীন ইসলাম টুটুল
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম

রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী

  • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও বৈশ্বিক বৈষম্য দূরীকরনে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন
  • যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের সফর দেশের স্বার্থ রক্ষার মিশন
  • একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মানুষের কথা বলবেন তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কের পথে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের এই সফরকে দেশের স্বার্থ রক্ষার মিশন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এটি বিশ্বমঞ্চে তারেক রহমানের প্রথম অংশগ্রহণ, যার মাধ্যমে তিনি নতুন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সফরের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইবেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট সোমবার সকাল ৬টা ৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ইস্তাম্বুলে ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট যাত্রাবিরতি শেষে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেয়। নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটির অবতরণ করার কথা রয়েছে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান ও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন। সফরকালে তিনি ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে অবস্থান করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। ওইদিন সকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেবেন এবং এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন। সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানেও তার যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক একটি বিশেষ পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইবেন। একই দিন তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও বৈশ্বিক বৈষম্য দূরীকরণ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেবেন এবং  বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবেন।

২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক পর্বে ভাষণ দেবেন। তার ভাষণে নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, মানবাধিকার রক্ষা এবং বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিন তিনি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরবেন।

অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান, কুয়েত, ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড ও হাইতির সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও তার সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে তিনি ওয়াল স্ট্রিট ও মেটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরবেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, ‘এটি কোনো আড়ম্বরপূর্ণ সফর নয় বরং দেশের স্বার্থ রক্ষার মিশন। যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন, ফিরতে এক দিন। মাঝের মাত্র চার দিন। এক মুহূর্তও নষ্ট না করে, এই চার দিনেই একের পর এক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের স্বার্থে কূটনৈতিক আলোচনায় সময় দিবেন তিনি।’ 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফরসঙ্গী ৩৫ জন। এর মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী ১৫ জন। রয়েছেন নিরাপত্তা, মিডিয়া ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিরা।’

সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পোস্টে মাহ্দী আমিন বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মানুষের কথা বলবেন। বিশেষ এক মুহূর্তে তিনি ভাষণ দেবেন, যখন জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতির আসনে থাকবেন বাংলাদেশেরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।’

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এই সফরের মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে নতুন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

  • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও বৈশ্বিক বৈষম্য দূরীকরনে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন
  • যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের সফর দেশের স্বার্থ রক্ষার মিশন
  • একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মানুষের কথা বলবেন তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কের পথে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের এই সফরকে দেশের স্বার্থ রক্ষার মিশন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এটি বিশ্বমঞ্চে তারেক রহমানের প্রথম অংশগ্রহণ, যার মাধ্যমে তিনি নতুন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সফরের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইবেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট সোমবার সকাল ৬টা ৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ইস্তাম্বুলে ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট যাত্রাবিরতি শেষে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেয়। নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটির অবতরণ করার কথা রয়েছে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান ও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন। সফরকালে তিনি ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে অবস্থান করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। ওইদিন সকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেবেন এবং এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন। সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানেও তার যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক একটি বিশেষ পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইবেন। একই দিন তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও বৈশ্বিক বৈষম্য দূরীকরণ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেবেন এবং  বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবেন।

২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক পর্বে ভাষণ দেবেন। তার ভাষণে নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, মানবাধিকার রক্ষা এবং বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিন তিনি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরবেন।

অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান, কুয়েত, ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড ও হাইতির সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও তার সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে তিনি ওয়াল স্ট্রিট ও মেটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরবেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, ‘এটি কোনো আড়ম্বরপূর্ণ সফর নয় বরং দেশের স্বার্থ রক্ষার মিশন। যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন, ফিরতে এক দিন। মাঝের মাত্র চার দিন। এক মুহূর্তও নষ্ট না করে, এই চার দিনেই একের পর এক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের স্বার্থে কূটনৈতিক আলোচনায় সময় দিবেন তিনি।’ 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফরসঙ্গী ৩৫ জন। এর মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী ১৫ জন। রয়েছেন নিরাপত্তা, মিডিয়া ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিরা।’

সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পোস্টে মাহ্দী আমিন বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মানুষের কথা বলবেন। বিশেষ এক মুহূর্তে তিনি ভাষণ দেবেন, যখন জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতির আসনে থাকবেন বাংলাদেশেরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।’

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এই সফরের মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে নতুন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত