কোথায় গিয়েছেন, কোন রেস্টুরেন্টে খেয়েছেন কিংবা কোন দোকানে গিয়েছিলেন-এসব তথ্য পরে মনে করতে গুগল ম্যাপসের ‘টাইমলাইন’ সুবিধা বেশ কাজে লাগে। তবে নিয়মিত ব্যবহারের কারণে এই ফিচারে ব্যবহারকারীর চলাফেরার একটি বিস্তারিত ইতিহাসও তৈরি হয়। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে কেউ চাইলে এসব তথ্য সংরক্ষণ বন্ধ করার পাশাপাশি আগের তথ্যও মুছে ফেলতে পারেন।
গুগলের টাইমলাইন ব্যবস্থায় লোকেশনসংক্রান্ত তথ্য
এখন মূলত
ব্যবহারকারীর ডিভাইসেই রাখা হয়। তবে ব্যবহারকারী চাইলে এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ গুগল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষণ করতে পারেন। ফলে শুধু লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করাই নয়, ব্যাকআপের বিষয়টিও নজরে রাখা প্রয়োজন।
পুরোনো লোকেশন হিস্ট্রি কীভাবে মুছবেন
গুগল ম্যাপসের প্রোফাইল মেন্যু থেকে ‘ইওর টাইমলাইন’-এ
প্রবেশ করতে হবে। সেখানে থাকা তিন ডট মেন্যু থেকে ‘লোকেশন অ্যান্ড প্রাইভেসি সেটিংস’ নির্বাচন
করে ‘টাইমলাইন’ অপশনে যেতে হবে।
এখানে ‘টার্ন অফ অ্যান্ড ডিলিট অ্যাক্টিভিটি’ নির্বাচন
করলে নতুন লোকেশন তথ্য সংরক্ষণ বন্ধ করার পাশাপাশি আগে জমা
থাকা তথ্য মুছে ফেলার প্রক্রিয়াও শুরু হবে। শুধু ভবিষ্যতের তথ্য সংরক্ষণ বন্ধ করতে চাইলে ‘টার্ন অফ’ নির্বাচন
করা যাবে। সে ক্ষেত্রে পুরোনো তথ্য থেকে যাবে।
সব তথ্য একসঙ্গে মুছতে না চাইলে
অনেকের জন্য লোকেশন হিস্ট্রি পুরোপুরি বন্ধ করা প্রয়োজন নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের পর পুরোনো তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে
ফেলার ব্যবস্থা করা যায়।
এজন্য টাইমলাইনের সেটিংসে থাকা ‘অটো-ডিলিট’ অপশনে
গিয়ে সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। সেখানে তিন, ১৮ অথবা ৩৬ মাসের বেশি পুরোনো লোকেশন তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে
ফেলার বিকল্প রয়েছে।
ব্যাকআপ চালু আছে কি না দেখুন
লোকেশন তথ্য ডিভাইসে থাকার পাশাপাশি ব্যবহারকারী চাইলে এর এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ গুগল অ্যাকাউন্টে রাখতে পারেন। টাইমলাইন পেজের ব্যাকআপ আইকন থেকে
এই সুবিধা চালু বা বন্ধ করা যায়।
ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে সতর্ক থাকলে তাই লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করার পাশাপাশি ব্যাকআপও পরীক্ষা করে দেখা উচিত।
নির্দিষ্ট দিনের তথ্যও মুছতে পারবেন
পুরো টাইমলাইন মুছে ফেলার প্রয়োজন নেই-এমন পরিস্থিতিতেও নির্দিষ্ট
দিনের তথ্য সরিয়ে ফেলা যায়। টাইমলাইন পেজে থাকা পেন্সিল আইকন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দিনের লোকেশন তথ্য সম্পাদনা বা মুছে ফেলার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী টাইমলাইনের তথ্য অন্য ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য রপ্তানিও করা যায়।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—এসব সেটিংস ডিভাইসভিত্তিক। একই
গুগল অ্যাকাউন্ট একাধিক ফোন বা ট্যাবলেটে ব্যবহার করলে প্রতিটি ডিভাইসের টাইমলাইন সেটিংস আলাদাভাবে পরীক্ষা করতে হবে।
গুগল ম্যাপসের টাইমলাইন সুবিধাজনক হলেও এতে ব্যক্তিগত চলাফেরার তথ্য জমা থাকে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী লোকেশন হিস্ট্রি, পুরোনো তথ্য, অটো-ডিলিট ও ব্যাকআপ—সব কটি সেটিংস পর্যালোচনা করে নেওয়াই ভালো।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কোথায় গিয়েছেন, কোন রেস্টুরেন্টে খেয়েছেন কিংবা কোন দোকানে গিয়েছিলেন-এসব তথ্য পরে মনে করতে গুগল ম্যাপসের ‘টাইমলাইন’ সুবিধা বেশ কাজে লাগে। তবে নিয়মিত ব্যবহারের কারণে এই ফিচারে ব্যবহারকারীর চলাফেরার একটি বিস্তারিত ইতিহাসও তৈরি হয়। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে কেউ চাইলে এসব তথ্য সংরক্ষণ বন্ধ করার পাশাপাশি আগের তথ্যও মুছে ফেলতে পারেন।
গুগলের টাইমলাইন ব্যবস্থায় লোকেশনসংক্রান্ত তথ্য
এখন মূলত
ব্যবহারকারীর ডিভাইসেই রাখা হয়। তবে ব্যবহারকারী চাইলে এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ গুগল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষণ করতে পারেন। ফলে শুধু লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করাই নয়, ব্যাকআপের বিষয়টিও নজরে রাখা প্রয়োজন।
পুরোনো লোকেশন হিস্ট্রি কীভাবে মুছবেন
গুগল ম্যাপসের প্রোফাইল মেন্যু থেকে ‘ইওর টাইমলাইন’-এ
প্রবেশ করতে হবে। সেখানে থাকা তিন ডট মেন্যু থেকে ‘লোকেশন অ্যান্ড প্রাইভেসি সেটিংস’ নির্বাচন
করে ‘টাইমলাইন’ অপশনে যেতে হবে।
এখানে ‘টার্ন অফ অ্যান্ড ডিলিট অ্যাক্টিভিটি’ নির্বাচন
করলে নতুন লোকেশন তথ্য সংরক্ষণ বন্ধ করার পাশাপাশি আগে জমা
থাকা তথ্য মুছে ফেলার প্রক্রিয়াও শুরু হবে। শুধু ভবিষ্যতের তথ্য সংরক্ষণ বন্ধ করতে চাইলে ‘টার্ন অফ’ নির্বাচন
করা যাবে। সে ক্ষেত্রে পুরোনো তথ্য থেকে যাবে।
সব তথ্য একসঙ্গে মুছতে না চাইলে
অনেকের জন্য লোকেশন হিস্ট্রি পুরোপুরি বন্ধ করা প্রয়োজন নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের পর পুরোনো তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে
ফেলার ব্যবস্থা করা যায়।
এজন্য টাইমলাইনের সেটিংসে থাকা ‘অটো-ডিলিট’ অপশনে
গিয়ে সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। সেখানে তিন, ১৮ অথবা ৩৬ মাসের বেশি পুরোনো লোকেশন তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে
ফেলার বিকল্প রয়েছে।
ব্যাকআপ চালু আছে কি না দেখুন
লোকেশন তথ্য ডিভাইসে থাকার পাশাপাশি ব্যবহারকারী চাইলে এর এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ গুগল অ্যাকাউন্টে রাখতে পারেন। টাইমলাইন পেজের ব্যাকআপ আইকন থেকে
এই সুবিধা চালু বা বন্ধ করা যায়।
ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে সতর্ক থাকলে তাই লোকেশন হিস্ট্রি বন্ধ করার পাশাপাশি ব্যাকআপও পরীক্ষা করে দেখা উচিত।
নির্দিষ্ট দিনের তথ্যও মুছতে পারবেন
পুরো টাইমলাইন মুছে ফেলার প্রয়োজন নেই-এমন পরিস্থিতিতেও নির্দিষ্ট
দিনের তথ্য সরিয়ে ফেলা যায়। টাইমলাইন পেজে থাকা পেন্সিল আইকন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দিনের লোকেশন তথ্য সম্পাদনা বা মুছে ফেলার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী টাইমলাইনের তথ্য অন্য ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য রপ্তানিও করা যায়।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—এসব সেটিংস ডিভাইসভিত্তিক। একই
গুগল অ্যাকাউন্ট একাধিক ফোন বা ট্যাবলেটে ব্যবহার করলে প্রতিটি ডিভাইসের টাইমলাইন সেটিংস আলাদাভাবে পরীক্ষা করতে হবে।
গুগল ম্যাপসের টাইমলাইন সুবিধাজনক হলেও এতে ব্যক্তিগত চলাফেরার তথ্য জমা থাকে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী লোকেশন হিস্ট্রি, পুরোনো তথ্য, অটো-ডিলিট ও ব্যাকআপ—সব কটি সেটিংস পর্যালোচনা করে নেওয়াই ভালো।

আপনার মতামত লিখুন