গরমে গাড়িতে উঠেই এসি চালানো অনেকের কাছে স্বাভাবিক বিষয়। তবে জ্বালানি সাশ্রয়ের চিন্তায় কেউ কেউ এসি বন্ধ করে জানালা খুলে দেন। এতে আদৌ জ্বালানি কম খরচ হয় কি না, তা নিয়ে রয়েছে নানা ধারণা। বাস্তবে এর উত্তর নির্ভর করে গাড়ির গতি, রাস্তার পরিস্থিতি ও গাড়ির ধরনসহ কয়েকটি বিষয়ের ওপর।
গাড়ির
এসি
চালু
থাকলে
কম্প্রেসর
পরিচালনার
জন্য
ইঞ্জিনের
অতিরিক্ত
শক্তি
প্রয়োজন
হয়।
ফলে
কিছু
ক্ষেত্রে
জ্বালানি
খরচ
বাড়তে
পারে।
বিশেষ
করে
গাড়ি
থেমে
থাকা
বা
ধীরগতিতে
চলার
সময়
এসির
এই
প্রভাব
তুলনামূলক
বেশি
হতে
পারে।
অন্যদিকে
গাড়ি
দ্রুতগতিতে
চলার
সময়
পুরো
জানালা
খুলে
দিলে
বাতাস
সরাসরি
গাড়ির
ভেতরে
ঢুকে
বায়ুরোধ বা ড্র্যাগ বাড়াতে পারে।
এতে
গাড়ি
এগিয়ে
নিতে
ইঞ্জিনকে
অতিরিক্ত
শক্তি
দিতে
হয়।
তাই
মহাসড়ক
বা
দ্রুতগতির
রাস্তায়
জানালা
পুরোপুরি
খুলে
চালানোর
পরিবর্তে
জানালা
বন্ধ
রেখে
প্রয়োজন
অনুযায়ী
এসি
ব্যবহার
করা
অনেক
ক্ষেত্রে
যুক্তিযুক্ত।
শহরের রাস্তায় কী করবেন
যানজট,
সিগন্যাল
বা
ধীরগতির
শহুরে
যাত্রায়
পরিস্থিতি
কিছুটা
ভিন্ন।
এ
সময়
এসি
কম্প্রেসরের
ওপর
অতিরিক্ত
চাপ
জ্বালানি
খরচে
প্রভাব
ফেলতে
পারে।
তবে
শুধু
এসি
বন্ধ
করে
জানালা
খুললেই
যে
উল্লেখযোগ্য
পরিমাণ
জ্বালানি
সাশ্রয়
হবে,
এমন
নিশ্চয়তা
নেই।
গাড়ির
ভেতর
অতিরিক্ত
গরম
থাকলে
শুরুতে
কিছুক্ষণ
জানালা
খুলে
গরম
বাতাস
বের
করে
দেওয়া
যেতে
পারে।
এরপর
জানালা
বন্ধ
করে
এসি
চালালে
দ্রুত
আরামদায়ক
পরিবেশ
তৈরি
করা
সহজ
হতে
পারে।
এসির
তাপমাত্রা
অপ্রয়োজনীয়ভাবে
খুব
কম
না
রেখে
মাঝারি
ও
আরামদায়ক
মাত্রায়
রাখা
ভালো।
এসি
ব্যবহারে আরও যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ
এসি
ফিল্টার
নিয়মিত
পরিষ্কার
রাখা
দরকার।
ফিল্টার
ময়লা
হয়ে
গেলে
বাতাস
চলাচল
বাধাগ্রস্ত
হতে
পারে
এবং
কুলিংয়ের
কার্যকারিতা
কমে
যেতে
পারে।
গাড়ির
নিয়মিত
রক্ষণাবেক্ষণও
জ্বালানি
দক্ষতার
সঙ্গে
সম্পর্কিত।
তবে
এসি
ব্যবহারে
জ্বালানি
খরচের
প্রভাব
সব
গাড়িতে
এক
রকম
নয়।
গাড়ির
মডেল,
এসি
ব্যবস্থার
ধরন
ও
প্রযুক্তির
ওপর
এর
পার্থক্য
হতে
পারে।
হাইব্রিড
ও
বৈদ্যুতিক
গাড়ির
এসি
ব্যবস্থাও
প্রচলিত
জ্বালানিচালিত
গাড়ির
তুলনায়
ভিন্নভাবে
কাজ
করে।
শুধু এসি নয়, নজর দিন পুরো ড্রাইভিংয়ে
জ্বালানি
সাশ্রয়ের
ক্ষেত্রে
এসি
বন্ধ
রাখা
বা
জানালা
খোলা—কোনোটিকেই
একক
নিয়ম
হিসেবে
দেখা
ঠিক
নয়।
গাড়ির
গতি
ও
রাস্তার
পরিস্থিতি
বুঝে
সিদ্ধান্ত
নেওয়াই
বেশি
কার্যকর।
এর পাশাপাশি টায়ারে সঠিক চাপ রাখা, অপ্রয়োজনীয় ওজন কমানো, মসৃণভাবে গাড়ি চালানো এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলেও জ্বালানি খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই শুধু এসি বন্ধ রাখলেই জ্বালানি খরচ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গরমে গাড়িতে উঠেই এসি চালানো অনেকের কাছে স্বাভাবিক বিষয়। তবে জ্বালানি সাশ্রয়ের চিন্তায় কেউ কেউ এসি বন্ধ করে জানালা খুলে দেন। এতে আদৌ জ্বালানি কম খরচ হয় কি না, তা নিয়ে রয়েছে নানা ধারণা। বাস্তবে এর উত্তর নির্ভর করে গাড়ির গতি, রাস্তার পরিস্থিতি ও গাড়ির ধরনসহ কয়েকটি বিষয়ের ওপর।
গাড়ির
এসি
চালু
থাকলে
কম্প্রেসর
পরিচালনার
জন্য
ইঞ্জিনের
অতিরিক্ত
শক্তি
প্রয়োজন
হয়।
ফলে
কিছু
ক্ষেত্রে
জ্বালানি
খরচ
বাড়তে
পারে।
বিশেষ
করে
গাড়ি
থেমে
থাকা
বা
ধীরগতিতে
চলার
সময়
এসির
এই
প্রভাব
তুলনামূলক
বেশি
হতে
পারে।
অন্যদিকে
গাড়ি
দ্রুতগতিতে
চলার
সময়
পুরো
জানালা
খুলে
দিলে
বাতাস
সরাসরি
গাড়ির
ভেতরে
ঢুকে
বায়ুরোধ বা ড্র্যাগ বাড়াতে পারে।
এতে
গাড়ি
এগিয়ে
নিতে
ইঞ্জিনকে
অতিরিক্ত
শক্তি
দিতে
হয়।
তাই
মহাসড়ক
বা
দ্রুতগতির
রাস্তায়
জানালা
পুরোপুরি
খুলে
চালানোর
পরিবর্তে
জানালা
বন্ধ
রেখে
প্রয়োজন
অনুযায়ী
এসি
ব্যবহার
করা
অনেক
ক্ষেত্রে
যুক্তিযুক্ত।
শহরের রাস্তায় কী করবেন
যানজট,
সিগন্যাল
বা
ধীরগতির
শহুরে
যাত্রায়
পরিস্থিতি
কিছুটা
ভিন্ন।
এ
সময়
এসি
কম্প্রেসরের
ওপর
অতিরিক্ত
চাপ
জ্বালানি
খরচে
প্রভাব
ফেলতে
পারে।
তবে
শুধু
এসি
বন্ধ
করে
জানালা
খুললেই
যে
উল্লেখযোগ্য
পরিমাণ
জ্বালানি
সাশ্রয়
হবে,
এমন
নিশ্চয়তা
নেই।
গাড়ির
ভেতর
অতিরিক্ত
গরম
থাকলে
শুরুতে
কিছুক্ষণ
জানালা
খুলে
গরম
বাতাস
বের
করে
দেওয়া
যেতে
পারে।
এরপর
জানালা
বন্ধ
করে
এসি
চালালে
দ্রুত
আরামদায়ক
পরিবেশ
তৈরি
করা
সহজ
হতে
পারে।
এসির
তাপমাত্রা
অপ্রয়োজনীয়ভাবে
খুব
কম
না
রেখে
মাঝারি
ও
আরামদায়ক
মাত্রায়
রাখা
ভালো।
এসি
ব্যবহারে আরও যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ
এসি
ফিল্টার
নিয়মিত
পরিষ্কার
রাখা
দরকার।
ফিল্টার
ময়লা
হয়ে
গেলে
বাতাস
চলাচল
বাধাগ্রস্ত
হতে
পারে
এবং
কুলিংয়ের
কার্যকারিতা
কমে
যেতে
পারে।
গাড়ির
নিয়মিত
রক্ষণাবেক্ষণও
জ্বালানি
দক্ষতার
সঙ্গে
সম্পর্কিত।
তবে
এসি
ব্যবহারে
জ্বালানি
খরচের
প্রভাব
সব
গাড়িতে
এক
রকম
নয়।
গাড়ির
মডেল,
এসি
ব্যবস্থার
ধরন
ও
প্রযুক্তির
ওপর
এর
পার্থক্য
হতে
পারে।
হাইব্রিড
ও
বৈদ্যুতিক
গাড়ির
এসি
ব্যবস্থাও
প্রচলিত
জ্বালানিচালিত
গাড়ির
তুলনায়
ভিন্নভাবে
কাজ
করে।
শুধু এসি নয়, নজর দিন পুরো ড্রাইভিংয়ে
জ্বালানি
সাশ্রয়ের
ক্ষেত্রে
এসি
বন্ধ
রাখা
বা
জানালা
খোলা—কোনোটিকেই
একক
নিয়ম
হিসেবে
দেখা
ঠিক
নয়।
গাড়ির
গতি
ও
রাস্তার
পরিস্থিতি
বুঝে
সিদ্ধান্ত
নেওয়াই
বেশি
কার্যকর।
এর পাশাপাশি টায়ারে সঠিক চাপ রাখা, অপ্রয়োজনীয় ওজন কমানো, মসৃণভাবে গাড়ি চালানো এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলেও জ্বালানি খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই শুধু এসি বন্ধ রাখলেই জ্বালানি খরচ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।

আপনার মতামত লিখুন