মানিকগঞ্জের ঘিওরে আদালতের আদেশে জমির দখল পুনরুদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় এক্সকাভেটর (ভেকু) লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে এক্সকাভেটরটির কাচ ভেঙে চালক অজয় মণ্ডল বুকে আঘাত পেয়ে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের ফুলহারা মৌজায় এ অভিযান শুরু হয়। ঘিওর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঘিওর থানা-পুলিশের সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে প্রতিপক্ষের কয়েকজন ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে এক্সকাভেটরটির দিকে এগিয়ে যান। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তার বড় ভাই আশরাফুল ইসলাম ভেকু লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। ইটের আঘাতে ভেকুর সামনের কাচ ভেঙে চালক অজয় মণ্ডলের বুকে লাগলে তিনি আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই আশরাফুল ইসলাম পালিয়ে গেলেও শরিফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।
উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ফুলহারা মৌজার ৬ শতাংশ জমির দখল নিয়ে মোজায়াল হক মুকা, মোহাম্মদ সেলিম বেপারী, রেহেনা বেগম ও রোকসানা আক্তার আদালতে আবেদন করেন। শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর গত ৬ আগস্ট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জমির দখল পুনরুদ্ধারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের ওই আদেশের ভিত্তিতেই আজ এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জমির দাবিদার মোহাম্মদ সেলিম বেপারী বলেন, ‘প্রায় ২৫ বছর ধরে জমিটি নিয়ে বিরোধ চলছিল। আদালতের আদেশের মাধ্যমে দীর্ঘ ২৫ বছর পর আমরা আমাদের জমির দখল ফিরে পেয়েছি।’
ঘিওরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের সময় ভেকুতে ইটপাটকেল ছুড়ে সরকারি কাজে বাধা ও চালককে আহত করার ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জের ঘিওরে আদালতের আদেশে জমির দখল পুনরুদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় এক্সকাভেটর (ভেকু) লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে এক্সকাভেটরটির কাচ ভেঙে চালক অজয় মণ্ডল বুকে আঘাত পেয়ে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের ফুলহারা মৌজায় এ অভিযান শুরু হয়। ঘিওর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঘিওর থানা-পুলিশের সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে প্রতিপক্ষের কয়েকজন ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে এক্সকাভেটরটির দিকে এগিয়ে যান। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তার বড় ভাই আশরাফুল ইসলাম ভেকু লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। ইটের আঘাতে ভেকুর সামনের কাচ ভেঙে চালক অজয় মণ্ডলের বুকে লাগলে তিনি আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই আশরাফুল ইসলাম পালিয়ে গেলেও শরিফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।
উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ফুলহারা মৌজার ৬ শতাংশ জমির দখল নিয়ে মোজায়াল হক মুকা, মোহাম্মদ সেলিম বেপারী, রেহেনা বেগম ও রোকসানা আক্তার আদালতে আবেদন করেন। শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর গত ৬ আগস্ট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জমির দখল পুনরুদ্ধারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের ওই আদেশের ভিত্তিতেই আজ এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জমির দাবিদার মোহাম্মদ সেলিম বেপারী বলেন, ‘প্রায় ২৫ বছর ধরে জমিটি নিয়ে বিরোধ চলছিল। আদালতের আদেশের মাধ্যমে দীর্ঘ ২৫ বছর পর আমরা আমাদের জমির দখল ফিরে পেয়েছি।’
ঘিওরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের সময় ভেকুতে ইটপাটকেল ছুড়ে সরকারি কাজে বাধা ও চালককে আহত করার ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

আপনার মতামত লিখুন