সংবাদ

মিঠাপুকুরে বিষাক্ত গুড়, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন!


প্রতিনিধি, মিঠাপুকুর (রংপুর)
প্রতিনিধি, মিঠাপুকুর (রংপুর)
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০১ পিএম

মিঠাপুকুরে বিষাক্ত গুড়, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন!
ছবি : সংবাদ

রংপুরের মিঠাপুকুরে অবৈধ ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশিয়ে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানাগুলোতে দফায় দফায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ও মালামাল ধ্বংস করা হলেও বন্ধ হচ্ছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের অভিযান শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আগের রূপ ফিরে পায় এসব কারখানা। এতে শুধু লোকদেখানো অভিযান পরিচালনা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের শুকুরের হাট পশ্চিম গেনার পাড়া ও ফুলচৌকি খামার পাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাতভর ক্ষতিকর শিল্পরং, ডাইস, সিঁদুর, পচা মিষ্টির সিরা, মেয়াদোত্তীর্ণ চিনি ও বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করে ভেজাল গুড় তৈরি করা হচ্ছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এসব কারখানায় উৎপাদন আরও বহু গুণ বাড়ানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফুলচৌকি খামার পাড়া এলাকার মুকুল, হানিফ মিয়া এবং পশ্চিম গেনার পাড়ার মোর্শেলিন ইসলাম ছোটন, নালু মিয়া ও মোকলেছ দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক জামানের নেতৃত্বে সেখানে পরপর চারবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হলেও কার্যক্রম পুরোদমে বহাল রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রশাসনের টিম যখন আসে, তখন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকলেও তারা চলে যাওয়ার পরপরই নতুন কৌশলে একই কাজ শুরু হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এই খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে শুধু অর্থদণ্ড দেওয়ায় তারা অপরাধ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান সংবাদকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে মিঠাপুকুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে এবং এ ধরনের অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মিঠাপুকুরে বিষাক্ত গুড়, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন!

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রংপুরের মিঠাপুকুরে অবৈধ ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশিয়ে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানাগুলোতে দফায় দফায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ও মালামাল ধ্বংস করা হলেও বন্ধ হচ্ছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের অভিযান শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আগের রূপ ফিরে পায় এসব কারখানা। এতে শুধু লোকদেখানো অভিযান পরিচালনা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের শুকুরের হাট পশ্চিম গেনার পাড়া ও ফুলচৌকি খামার পাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাতভর ক্ষতিকর শিল্পরং, ডাইস, সিঁদুর, পচা মিষ্টির সিরা, মেয়াদোত্তীর্ণ চিনি ও বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করে ভেজাল গুড় তৈরি করা হচ্ছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এসব কারখানায় উৎপাদন আরও বহু গুণ বাড়ানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফুলচৌকি খামার পাড়া এলাকার মুকুল, হানিফ মিয়া এবং পশ্চিম গেনার পাড়ার মোর্শেলিন ইসলাম ছোটন, নালু মিয়া ও মোকলেছ দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক জামানের নেতৃত্বে সেখানে পরপর চারবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হলেও কার্যক্রম পুরোদমে বহাল রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রশাসনের টিম যখন আসে, তখন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকলেও তারা চলে যাওয়ার পরপরই নতুন কৌশলে একই কাজ শুরু হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এই খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে শুধু অর্থদণ্ড দেওয়ায় তারা অপরাধ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান সংবাদকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে মিঠাপুকুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে এবং এ ধরনের অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত