ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য ‘দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান’ বা দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখার অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন করে ১০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। ক্যানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (সিবিসি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এই অনুদানের ঘোষণা দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
ঘোষিত ১০ কোটি ডলারের সহায়তার মধ্যে প্রায় ৮ কোটি ডলার সরাসরি জরুরি মানবিক ত্রাণ হিসেবে গাজা ও আশপাশের ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে বিতরণ করা হবে। বাকি ২ কোটি ডলার নিরাপত্তা বিধানসহ সার্বিক অবকাঠামো ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি বিশেষ প্রকল্পও রয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানান, গাজার সাধারণ ফিলিস্তিনি জনগণ বর্তমানে এক চরম ও অভাবনীয় 'মানবিক বিপর্যয় ও দুর্ভোগের' মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। একইসঙ্গে ইসরায়েলও হামাস, ইরান এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের কাছ থেকে অস্তিত্বের হুমকির মুখোমুখি।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের জন্য কানাডা সরকার সর্বমোট ৬০ কোটি ডলারেরও বেশি আর্থিক সহায়তার অঙ্গীকার করেছে।
অন্যদিকে চলতি সপ্তাহে কানাডার পার্লামেন্টে পেশ করা একটি সরকারি নথিতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এবং উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস আক্রমণের কারণে কানাডার সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত ফিলিস্তিনের বহু উন্নয়ন ও সহায়তা প্রকল্প মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সম্প্রতি ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথ বিবৃতি দিয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে কানাডা। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নাগরিকদের অব্যাহত সহিংসতাই ছিল এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অন্যতম কারণ।
এ ছাড়া নিউইয়র্কের সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ইসরায়েলের বিতর্কিত 'ই-ওয়ান' (E1) বসতি স্থাপন প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্কিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অধিকৃত পশ্চিম তীর ভৌগোলিকভাবে দুই ভাগে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
/

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য ‘দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান’ বা দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখার অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন করে ১০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। ক্যানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (সিবিসি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এই অনুদানের ঘোষণা দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
ঘোষিত ১০ কোটি ডলারের সহায়তার মধ্যে প্রায় ৮ কোটি ডলার সরাসরি জরুরি মানবিক ত্রাণ হিসেবে গাজা ও আশপাশের ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে বিতরণ করা হবে। বাকি ২ কোটি ডলার নিরাপত্তা বিধানসহ সার্বিক অবকাঠামো ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি বিশেষ প্রকল্পও রয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানান, গাজার সাধারণ ফিলিস্তিনি জনগণ বর্তমানে এক চরম ও অভাবনীয় 'মানবিক বিপর্যয় ও দুর্ভোগের' মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। একইসঙ্গে ইসরায়েলও হামাস, ইরান এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের কাছ থেকে অস্তিত্বের হুমকির মুখোমুখি।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের জন্য কানাডা সরকার সর্বমোট ৬০ কোটি ডলারেরও বেশি আর্থিক সহায়তার অঙ্গীকার করেছে।
অন্যদিকে চলতি সপ্তাহে কানাডার পার্লামেন্টে পেশ করা একটি সরকারি নথিতে দেখা গেছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এবং উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস আক্রমণের কারণে কানাডার সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত ফিলিস্তিনের বহু উন্নয়ন ও সহায়তা প্রকল্প মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সম্প্রতি ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথ বিবৃতি দিয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে কানাডা। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নাগরিকদের অব্যাহত সহিংসতাই ছিল এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অন্যতম কারণ।
এ ছাড়া নিউইয়র্কের সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ইসরায়েলের বিতর্কিত 'ই-ওয়ান' (E1) বসতি স্থাপন প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্কিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অধিকৃত পশ্চিম তীর ভৌগোলিকভাবে দুই ভাগে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
/

আপনার মতামত লিখুন