সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটের ভেতরে গজ (মব) রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এতে অস্ত্রোপচারের চার মাস পরও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে (কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন বিথী আক্তার (২৪) নামের এক ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ (নার্স)।
অন্যের প্রসবকালীন জটিলতা সামলানো যার পেশা, তিনি নিজেই আজ চিকিৎসকদের চরম অবহেলার শিকার। ভুক্তভোগী বিথী আক্তার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের তমিজউদদীন মৃধা পাড়ার ছোরাপ মন্ডলের মেয়ে। বর্তমানে তিনি জামতলা এলাকায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছেন।
রোগীর স্বজন ও বিথী আক্তারের দেওয়া তথ্যমতে, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিথীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচারের পর থেকেই তার শারীরিক জটিলতা বাড়তে থাকে। পরে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও চিকিৎসাসংক্রান্ত পরীক্ষায় পেটের ভেতর গজ থেকে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের দুই মাস পর পেটের নাড়ি পচে যাওয়ায় বাইপাস সার্জারিসহ বড় ধরনের একটি অস্ত্রোপচার করা হয় এবং তাকে আইসিইউতে রাখা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিথী আক্তার আকুতি জানিয়ে লিখেছেন, ‘আমি একজন মিডওয়াইফ। আমার সাথেই যদি এমন অবহেলা করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের কী হবে? বিগত চার মাস ধরে আমার ওপর দিয়ে ঝড় যাচ্ছে। হার্টের সমস্যাসহ নানা রোগ দেখা দিয়েছে। ওজন ৬১ কেজি থেকে কমে ৩৯ কেজিতে নেমেছে। চার মাস ধরে নতুন জন্ম নেওয়া সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারি না।’
চিকিৎসার নথিপত্র অনুযায়ী, উক্ত অস্ত্রোপচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. অরবিন্দ।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, চিকিৎসার পূর্ণ নিশ্চয়তা, দায়ী চিকিৎসকদের কঠোর জবাবদিহিতা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটের ভেতরে গজ (মব) রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এতে অস্ত্রোপচারের চার মাস পরও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে (কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন বিথী আক্তার (২৪) নামের এক ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ (নার্স)।
অন্যের প্রসবকালীন জটিলতা সামলানো যার পেশা, তিনি নিজেই আজ চিকিৎসকদের চরম অবহেলার শিকার। ভুক্তভোগী বিথী আক্তার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের তমিজউদদীন মৃধা পাড়ার ছোরাপ মন্ডলের মেয়ে। বর্তমানে তিনি জামতলা এলাকায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছেন।
রোগীর স্বজন ও বিথী আক্তারের দেওয়া তথ্যমতে, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিথীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচারের পর থেকেই তার শারীরিক জটিলতা বাড়তে থাকে। পরে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও চিকিৎসাসংক্রান্ত পরীক্ষায় পেটের ভেতর গজ থেকে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের দুই মাস পর পেটের নাড়ি পচে যাওয়ায় বাইপাস সার্জারিসহ বড় ধরনের একটি অস্ত্রোপচার করা হয় এবং তাকে আইসিইউতে রাখা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিথী আক্তার আকুতি জানিয়ে লিখেছেন, ‘আমি একজন মিডওয়াইফ। আমার সাথেই যদি এমন অবহেলা করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের কী হবে? বিগত চার মাস ধরে আমার ওপর দিয়ে ঝড় যাচ্ছে। হার্টের সমস্যাসহ নানা রোগ দেখা দিয়েছে। ওজন ৬১ কেজি থেকে কমে ৩৯ কেজিতে নেমেছে। চার মাস ধরে নতুন জন্ম নেওয়া সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারি না।’
চিকিৎসার নথিপত্র অনুযায়ী, উক্ত অস্ত্রোপচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. অরবিন্দ।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, চিকিৎসার পূর্ণ নিশ্চয়তা, দায়ী চিকিৎসকদের কঠোর জবাবদিহিতা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন