মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ভূমির অধিকার ও নানা সমস্যার কথা প্রশাসনের নজরে আনার পর চার বছর ধরে বেতন বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে মো. তাজুল ইসলাম জাবেদ নামে এক কর্মীর। বকেয়া বেতন পরিশোধ, চাকরিতে পুনর্বহাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো চালুর দাবি জানিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি দিয়ে বিচার চেয়েছেন তিনি।
তাজুল ইসলামের ভাষ্য, তিনি শ্রীমঙ্গলে গেজেটভুক্ত খাসিয়া, গারো, ত্রিপুরা ও মণিপুরীসহ প্রায় ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের তথ্য সংগ্রহ করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরতেন। ২০২১ সালের শেষ দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় আয়োজিত মতবিনিময়ে তিনি আদিবাসীদের ভূমির অধিকার না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এর পরই গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তাঁর বেতন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শ্রীমঙ্গলের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও প্রশিক্ষকদের বেতন-ভাতাও বন্ধ হয়ে যায়।
চার বছর ধরে বেতন না পেয়ে বর্তমানে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন জানিয়ে তাজুল বলেন, ‘মানুষের কথা তুলে ধরাই যদি অপরাধ হয়, তবে তার বিচার চাই।’ শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়ায় এখন আর মাঠপর্যায়ে কাজের ইচ্ছা নেই জানিয়ে তিনি উপজেলা পর্যায়ে উপযুক্ত পদে পুনর্বহাল ও পাওনা বেতন পরিশোধের দাবি জানান।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ভূমির অধিকার ও নানা সমস্যার কথা প্রশাসনের নজরে আনার পর চার বছর ধরে বেতন বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে মো. তাজুল ইসলাম জাবেদ নামে এক কর্মীর। বকেয়া বেতন পরিশোধ, চাকরিতে পুনর্বহাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো চালুর দাবি জানিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি দিয়ে বিচার চেয়েছেন তিনি।
তাজুল ইসলামের ভাষ্য, তিনি শ্রীমঙ্গলে গেজেটভুক্ত খাসিয়া, গারো, ত্রিপুরা ও মণিপুরীসহ প্রায় ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের তথ্য সংগ্রহ করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরতেন। ২০২১ সালের শেষ দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় আয়োজিত মতবিনিময়ে তিনি আদিবাসীদের ভূমির অধিকার না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এর পরই গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তাঁর বেতন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শ্রীমঙ্গলের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও প্রশিক্ষকদের বেতন-ভাতাও বন্ধ হয়ে যায়।
চার বছর ধরে বেতন না পেয়ে বর্তমানে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন জানিয়ে তাজুল বলেন, ‘মানুষের কথা তুলে ধরাই যদি অপরাধ হয়, তবে তার বিচার চাই।’ শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়ায় এখন আর মাঠপর্যায়ে কাজের ইচ্ছা নেই জানিয়ে তিনি উপজেলা পর্যায়ে উপযুক্ত পদে পুনর্বহাল ও পাওনা বেতন পরিশোধের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন