১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নতুন করে সরব Cockroach Janata Party। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে অশুতোষ রানকার। অসমে পুলিশি আটকের পর উত্তর-পূর্ব ভারতে সংগঠন বিস্তারের ঘোষণাও CJP-র।
ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল Cockroach Janata Party (CJP)। সংগঠনের নেতা অশুতোষ রানকা জানিয়েছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ২ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হবে। তার বক্তব্য, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগের জবাব দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। শুধু বিবৃতি নয়, সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের সামনে এসে অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা স্পষ্ট করার জন্য জ্ঞানেশ কুমারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিজেপির ভূমিকা, অসমে সীমানা পুনর্নির্ধারণ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে সংগঠন বিস্তার - সব মিলিয়ে CJP-র সাম্প্রতিক অবস্থান নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শুধু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতে নিজেদের সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে CJP। রানকার বক্তব্য, উত্তর-পূর্বের সমস্ত রাজ্যে পৌঁছতে চায় তাদের সংগঠন। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী ও যুবসমাজের সমস্যা, দাবি এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে সামনে রেখে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার দাবি, ইতিমধ্যেই সংগঠন ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে চলমান বিতর্ককে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আন্দোলনের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্তরে নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ, ২ অক্টোবর থেকে জ্ঞানেশ-বিরোধী দেশজোড়া আন্দোলন! শুরু হবে।
সব মিলিয়ে CJP-র সামনে এখন দুটি সমান্তরাল রাজনৈতিক লক্ষ্য। একদিকে SIR ও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে তোলা, অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব ভারতে ছাত্র ও যুবসমাজের মধ্যে সংগঠনের ভিত্তি বিস্তার করা। ২ অক্টোবরের কর্মসূচি সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার প্রথম বড় পরীক্ষা হতে চলেছে। কিন্তু আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে শুধু প্রতিবাদের তীব্রতার উপর নয়, বরং ভোটার তালিকা নিয়ে তোলা অভিযোগের পক্ষে কী তথ্যপ্রমাণ সামনে আনা হচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশন তার জবাবে কী পদক্ষেপ করছে, তার উপরও।
CJP-র পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি স্পষ্ট। কিন্তু এই বিতর্কের কেন্দ্রীয় প্রশ্ন আরও বড় - ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়লে তাঁর অধিকার কীভাবে পুনরুদ্ধার হবে, অভিযোগের নিষ্পত্তি কীভাবে হবে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে? ২ অক্টোবরের আন্দোলন সেই প্রশ্নগুলিকে কতটা জনপরিসরে নিয়ে যেতে পারে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার l

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নতুন করে সরব Cockroach Janata Party। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে অশুতোষ রানকার। অসমে পুলিশি আটকের পর উত্তর-পূর্ব ভারতে সংগঠন বিস্তারের ঘোষণাও CJP-র।
ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল Cockroach Janata Party (CJP)। সংগঠনের নেতা অশুতোষ রানকা জানিয়েছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ২ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হবে। তার বক্তব্য, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগের জবাব দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। শুধু বিবৃতি নয়, সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের সামনে এসে অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা স্পষ্ট করার জন্য জ্ঞানেশ কুমারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিজেপির ভূমিকা, অসমে সীমানা পুনর্নির্ধারণ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে সংগঠন বিস্তার - সব মিলিয়ে CJP-র সাম্প্রতিক অবস্থান নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শুধু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতে নিজেদের সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে CJP। রানকার বক্তব্য, উত্তর-পূর্বের সমস্ত রাজ্যে পৌঁছতে চায় তাদের সংগঠন। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী ও যুবসমাজের সমস্যা, দাবি এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে সামনে রেখে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার দাবি, ইতিমধ্যেই সংগঠন ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে চলমান বিতর্ককে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আন্দোলনের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্তরে নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ, ২ অক্টোবর থেকে জ্ঞানেশ-বিরোধী দেশজোড়া আন্দোলন! শুরু হবে।
সব মিলিয়ে CJP-র সামনে এখন দুটি সমান্তরাল রাজনৈতিক লক্ষ্য। একদিকে SIR ও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে তোলা, অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব ভারতে ছাত্র ও যুবসমাজের মধ্যে সংগঠনের ভিত্তি বিস্তার করা। ২ অক্টোবরের কর্মসূচি সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার প্রথম বড় পরীক্ষা হতে চলেছে। কিন্তু আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে শুধু প্রতিবাদের তীব্রতার উপর নয়, বরং ভোটার তালিকা নিয়ে তোলা অভিযোগের পক্ষে কী তথ্যপ্রমাণ সামনে আনা হচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশন তার জবাবে কী পদক্ষেপ করছে, তার উপরও।
CJP-র পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি স্পষ্ট। কিন্তু এই বিতর্কের কেন্দ্রীয় প্রশ্ন আরও বড় - ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়লে তাঁর অধিকার কীভাবে পুনরুদ্ধার হবে, অভিযোগের নিষ্পত্তি কীভাবে হবে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে? ২ অক্টোবরের আন্দোলন সেই প্রশ্নগুলিকে কতটা জনপরিসরে নিয়ে যেতে পারে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার l

আপনার মতামত লিখুন