দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে নতুন কমিটি আর জমকালো পরিবেশনা নিয়ে ক্যাম্পাসের আঙিনায় ফিরল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সুপরিচিত সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট’। নতুন যাত্রার প্রথম আয়োজন হিসেবে শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আমতলা’ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘ফেরা’।
‘পুরোনো পথে নতুন পথচলা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই সন্ধ্যায় যেন সুরের বৃষ্টি নেমেছিল আমতলায়। দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে একের পর এক গীত হয় মোট ১৮টি গান।
সংগঠনের এমন রাজকীয় ফেরা ও লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন সাধারণ সম্পাদক রিভু কুমার সাহা। তিনি জানান, ক্যাম্পাসের নানা ক্লাব বা সংগঠনের আয়োজনে মূল সংগীতশিল্পীদের নিয়মিত গাওয়ার সুযোগ কিছুটা সীমিত ছিল। সেই অভাব পূরণ করতেই গানের মানুষদের জন্য একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের জন্ম। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সংগীতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের এক সুতোয় গাঁথা ও তাদের প্রতিভাকে সবার সামনে তুলে ধরা।
সংগঠনটির যাত্রাপথের ইতিহাস তুলে ধরে রিভু বলেন, প্রথম কমিটির সময় কার্যক্রম বেশ জমজমাট থাকলেও দ্বিতীয় কমিটির মেয়াদে এসে নানা কারণে ছন্দপতন ঘটে। সে সময় গোটা ক্যাম্পাসেরই সাংস্কৃতিক অঙ্গন কিছুটা থমকে গিয়েছিল। পরে শিক্ষকদের পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় ঈদের আগের রাতে ‘মুনলিট নাইট’ শিরোনামে একটি বিশেষ শো করা হলেও নতুন নেতৃত্ব না থাকায় আবার স্থবিরতা তৈরি হয়।
তবে সেই স্থবিরতা কাটতে খুব বেশি সময় লাগেনি। ক্যাম্পাসে নতুন করে সাংস্কৃতিক বাতাস বইতে শুরু করলে শিক্ষক প্রতীক, ফরহাদ কাদির ও শহিদুলের সার্বিক সহায়তায় ফের সক্রিয় করা হয় মিউজিক্যাল রেজিমেন্টকে। তাদের এই যৌথ প্রচেষ্টাতেই প্রাণ পেয়েছে ‘ফেরা’।
বর্তমানে ক্যাম্পাসের নবীন ও প্রবীণ অনেক সুরপাগল শিক্ষার্থী এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। নতুন কমিটির হাত ধরে গান ও বাদ্যযন্ত্রের এই মেলা সামনে আরও রঙিন হয়ে উঠবে বলেই প্রত্যাশা সবার।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে নতুন কমিটি আর জমকালো পরিবেশনা নিয়ে ক্যাম্পাসের আঙিনায় ফিরল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সুপরিচিত সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট’। নতুন যাত্রার প্রথম আয়োজন হিসেবে শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আমতলা’ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘ফেরা’।
‘পুরোনো পথে নতুন পথচলা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই সন্ধ্যায় যেন সুরের বৃষ্টি নেমেছিল আমতলায়। দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে একের পর এক গীত হয় মোট ১৮টি গান।
সংগঠনের এমন রাজকীয় ফেরা ও লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন সাধারণ সম্পাদক রিভু কুমার সাহা। তিনি জানান, ক্যাম্পাসের নানা ক্লাব বা সংগঠনের আয়োজনে মূল সংগীতশিল্পীদের নিয়মিত গাওয়ার সুযোগ কিছুটা সীমিত ছিল। সেই অভাব পূরণ করতেই গানের মানুষদের জন্য একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের জন্ম। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সংগীতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের এক সুতোয় গাঁথা ও তাদের প্রতিভাকে সবার সামনে তুলে ধরা।
সংগঠনটির যাত্রাপথের ইতিহাস তুলে ধরে রিভু বলেন, প্রথম কমিটির সময় কার্যক্রম বেশ জমজমাট থাকলেও দ্বিতীয় কমিটির মেয়াদে এসে নানা কারণে ছন্দপতন ঘটে। সে সময় গোটা ক্যাম্পাসেরই সাংস্কৃতিক অঙ্গন কিছুটা থমকে গিয়েছিল। পরে শিক্ষকদের পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় ঈদের আগের রাতে ‘মুনলিট নাইট’ শিরোনামে একটি বিশেষ শো করা হলেও নতুন নেতৃত্ব না থাকায় আবার স্থবিরতা তৈরি হয়।
তবে সেই স্থবিরতা কাটতে খুব বেশি সময় লাগেনি। ক্যাম্পাসে নতুন করে সাংস্কৃতিক বাতাস বইতে শুরু করলে শিক্ষক প্রতীক, ফরহাদ কাদির ও শহিদুলের সার্বিক সহায়তায় ফের সক্রিয় করা হয় মিউজিক্যাল রেজিমেন্টকে। তাদের এই যৌথ প্রচেষ্টাতেই প্রাণ পেয়েছে ‘ফেরা’।
বর্তমানে ক্যাম্পাসের নবীন ও প্রবীণ অনেক সুরপাগল শিক্ষার্থী এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। নতুন কমিটির হাত ধরে গান ও বাদ্যযন্ত্রের এই মেলা সামনে আরও রঙিন হয়ে উঠবে বলেই প্রত্যাশা সবার।

আপনার মতামত লিখুন