সাতক্ষীরায় চায়ের দোকানে ঝগড়া থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জাকারিয়া খান (১৯) নামে এক তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাকারিয়া খান সাতক্ষীরা শহরের রুচিরা বেকারির মালিক আব্দুল গফুরের ছেলে এবং পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ শাহীনের মামাতো ভাই।
পৌর বিএনপি নেতা মাছুম বিল্লাহ শাহীন জানান, ঘটনার সময় জাকারিয়া পশু হাসপাতাল মোড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। সে সময় এক ব্যক্তির সঙ্গে দোকানদারের বাক্বিতণ্ডা হচ্ছিল। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে জাকারিয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে তা থামাতে এগিয়ে যান। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি তার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় জাকারিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহীদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরায় চায়ের দোকানে ঝগড়া থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জাকারিয়া খান (১৯) নামে এক তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাকারিয়া খান সাতক্ষীরা শহরের রুচিরা বেকারির মালিক আব্দুল গফুরের ছেলে এবং পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ শাহীনের মামাতো ভাই।
পৌর বিএনপি নেতা মাছুম বিল্লাহ শাহীন জানান, ঘটনার সময় জাকারিয়া পশু হাসপাতাল মোড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। সে সময় এক ব্যক্তির সঙ্গে দোকানদারের বাক্বিতণ্ডা হচ্ছিল। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে জাকারিয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে তা থামাতে এগিয়ে যান। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি তার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় জাকারিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহীদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন