সংবাদ

আদিবাসী জরিপ: অধিকার নিশ্চিত করতে চাই সঠিক তথ্য


ষ্টেফান সরেন
ষ্টেফান সরেন
প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ এএম

আদিবাসী জরিপ: অধিকার নিশ্চিত করতে চাই সঠিক তথ্য

১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ে সমতল ও পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা আদিবাসী সম্প্রদায়ের আর্থসামাজিক ও জনমিতিক অবস্থা নিরূপণের এক গুরুত্বপূর্ণ জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই উদ্যোগ কেবল কিছু সংখ্যা বা পরিসংখ্যান সংগ্রহের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি এ দেশের মাটিতে কয়েক হাজার বছর ধরে বসবাসকারী প্রান্তিক আদিবাসী মানুষের অস্তিত্ব, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম।

একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে সঠিক পরিসংখ্যান ছাড়া কোনো জাতি বা জনগোষ্ঠীর সুষম উন্নয়ন কিংবা প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আদমশুমারি ও গৃহগণনা হলেও ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা, প্রচারণার অভাব এবং অসচেতনতার কারণে বহু আদিবাসী পরিবার মূল তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিশেষ করে সমতলের সাঁওতাল, তুরি, ওরাওঁ, মুন্ডা, মালো, মাহালি, কোল ও কোডা সম্প্রদায়ের মতো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রকৃত সংখ্যা এবং ভৌগোলিক অবস্থান রাষ্ট্রীয় নথিতে সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে শিক্ষা, সরকারি কোটা সুবিধা, বিশেষ অর্থনৈতিক বরাদ্দ এবং সর্বোপরি ভূমির অধিকারের মতো মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’ অধিকার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে।

তবে মাঠপর্যায়ে এই জরিপ সফল করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, প্রান্তিক আদিবাসী মানুষের মধ্যে সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকর্তাদের তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে এক ধরনের ঐতিহাসিক ভয় বা দ্বিধাবোধ কাজ করে। অতীতে ভুল তথ্য বা অসচেতনতার কারণে অনেক পরিবারকে পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হতে হয়েছে কিংবা আইনি জটিলতায় পড়তে হয়েছে। তাই এই জরিপকে ঘিরে সাধারণ মানুষের ভয় ও দ্বিধা দূর করা জরুরি। দ্বিতীয়ত, রয়েছে ভাষার প্রতিবন্ধকতা। অনেক আদিবাসী প্রবীণ ও নারী বাংলা ভাষা সঠিকভাবে বুঝতে বা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। ফলে জরিপকারীরা প্রশ্ন করার সময় জাতিগত পরিচয় বা মাতৃভাষার নাম নথিতে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ নাও করতে পারেন। এ কারণে এবারের ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’-এ তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে আদিবাসীদের যুক্ত করা হয়েছে।

তাই এবারের জরিপে মাঠপর্যায়ের গণনাকারী এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাধারণ নাগরিকদের কয়েকটি বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

নিখুঁত জাতিগত পরিচয় লিপিবদ্ধকরণ: নিজ নিজ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের নাম—যেমন সাঁওতাল, কোল, কোডা, তুরি, ওরাওঁ, মাহালি ইত্যাদি—জরিপের ফরমে স্পষ্ট ও সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে। কোনো সমগোত্রীয় বা ভুল নামে যেন প্রকৃত পরিচয় ঢাকা পড়ে না যায়, সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

মাতৃভাষার সঠিক স্বীকৃতি: বাড়িতে বা নিজেদের মধ্যে যে মাতৃভাষায় কথা বলা হয়, যেমন সাঁওতালি বা সাদরি, তা ফরমে নির্ভুলভাবে উল্লেখ করতে হবে। ভবিষ্যতে শিশুদের বহুভাষিক শিক্ষা প্রসারেও এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুপস্থিত সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি: জীবিকার তাগিদে বা পড়াশোনার কারণে পরিবারের কোনো সদস্য বর্তমানে ঢাকা বা অন্য কোনো শিল্পাঞ্চলে অবস্থান করলে তাকেও পরিবারের সদস্য হিসেবে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। দরিদ্র ও সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে শহরের প্রান্তিক শ্রমিকেরা যেন গণনার বাইরে না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আর্থসামাজিক ও পেশাগত সঠিক তথ্য: পরিবারের প্রকৃত আয়, জমির মালিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশার তথ্য গোপন না করে সঠিকভাবে দিতে হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যতের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার: বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তথ্য প্রচার ও সচেতনতা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’ নিয়ে কোনো ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য চোখে পড়লে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না দিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ে জানাতে হবে। একই সঙ্গে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা যেতে পারে।

এই সময়ে ন্যাশনাল এজেন্সি ফর গ্রিন রেভল্যুশন, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম, জাতীয় আদিবাসী পরিষদসহ দেশের সব আদিবাসী সংগঠন, তরুণ সমাজ ও স্থানীয় উন্নয়নকর্মীদের প্রতি আহ্বান থাকবে—আগামী দিনগুলোতে পাড়ায় পাড়ায়, গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক ও সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এই জরিপে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, বৈচিত্র‍্যরে মধ্যেই বাংলাদেশের সৌন্দর্য নিহিত। একজন প্রান্তিক আদিবাসী নাগরিকের জীবন ও সামাজিক পরিচয়ের মূল্য কোনো অংশেই কম নয়। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং সঠিক তথ্য দিয়ে ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’ সফল করতে সহযোগিতা করতে হবে। সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্যই পারে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর যথাযথ অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং তাদের সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষার পথ আরও সুগম করতে।

(লেখকের নিজস্ব মত)

[লেখক: উন্নয়নকর্মী]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


আদিবাসী জরিপ: অধিকার নিশ্চিত করতে চাই সঠিক তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ে সমতল ও পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা আদিবাসী সম্প্রদায়ের আর্থসামাজিক ও জনমিতিক অবস্থা নিরূপণের এক গুরুত্বপূর্ণ জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই উদ্যোগ কেবল কিছু সংখ্যা বা পরিসংখ্যান সংগ্রহের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি এ দেশের মাটিতে কয়েক হাজার বছর ধরে বসবাসকারী প্রান্তিক আদিবাসী মানুষের অস্তিত্ব, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম।

একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে সঠিক পরিসংখ্যান ছাড়া কোনো জাতি বা জনগোষ্ঠীর সুষম উন্নয়ন কিংবা প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আদমশুমারি ও গৃহগণনা হলেও ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা, প্রচারণার অভাব এবং অসচেতনতার কারণে বহু আদিবাসী পরিবার মূল তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিশেষ করে সমতলের সাঁওতাল, তুরি, ওরাওঁ, মুন্ডা, মালো, মাহালি, কোল ও কোডা সম্প্রদায়ের মতো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রকৃত সংখ্যা এবং ভৌগোলিক অবস্থান রাষ্ট্রীয় নথিতে সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে শিক্ষা, সরকারি কোটা সুবিধা, বিশেষ অর্থনৈতিক বরাদ্দ এবং সর্বোপরি ভূমির অধিকারের মতো মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’ অধিকার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে।

তবে মাঠপর্যায়ে এই জরিপ সফল করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, প্রান্তিক আদিবাসী মানুষের মধ্যে সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকর্তাদের তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে এক ধরনের ঐতিহাসিক ভয় বা দ্বিধাবোধ কাজ করে। অতীতে ভুল তথ্য বা অসচেতনতার কারণে অনেক পরিবারকে পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হতে হয়েছে কিংবা আইনি জটিলতায় পড়তে হয়েছে। তাই এই জরিপকে ঘিরে সাধারণ মানুষের ভয় ও দ্বিধা দূর করা জরুরি। দ্বিতীয়ত, রয়েছে ভাষার প্রতিবন্ধকতা। অনেক আদিবাসী প্রবীণ ও নারী বাংলা ভাষা সঠিকভাবে বুঝতে বা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। ফলে জরিপকারীরা প্রশ্ন করার সময় জাতিগত পরিচয় বা মাতৃভাষার নাম নথিতে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ নাও করতে পারেন। এ কারণে এবারের ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’-এ তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে আদিবাসীদের যুক্ত করা হয়েছে।

তাই এবারের জরিপে মাঠপর্যায়ের গণনাকারী এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাধারণ নাগরিকদের কয়েকটি বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

নিখুঁত জাতিগত পরিচয় লিপিবদ্ধকরণ: নিজ নিজ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের নাম—যেমন সাঁওতাল, কোল, কোডা, তুরি, ওরাওঁ, মাহালি ইত্যাদি—জরিপের ফরমে স্পষ্ট ও সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে। কোনো সমগোত্রীয় বা ভুল নামে যেন প্রকৃত পরিচয় ঢাকা পড়ে না যায়, সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

মাতৃভাষার সঠিক স্বীকৃতি: বাড়িতে বা নিজেদের মধ্যে যে মাতৃভাষায় কথা বলা হয়, যেমন সাঁওতালি বা সাদরি, তা ফরমে নির্ভুলভাবে উল্লেখ করতে হবে। ভবিষ্যতে শিশুদের বহুভাষিক শিক্ষা প্রসারেও এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুপস্থিত সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি: জীবিকার তাগিদে বা পড়াশোনার কারণে পরিবারের কোনো সদস্য বর্তমানে ঢাকা বা অন্য কোনো শিল্পাঞ্চলে অবস্থান করলে তাকেও পরিবারের সদস্য হিসেবে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। দরিদ্র ও সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে শহরের প্রান্তিক শ্রমিকেরা যেন গণনার বাইরে না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আর্থসামাজিক ও পেশাগত সঠিক তথ্য: পরিবারের প্রকৃত আয়, জমির মালিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশার তথ্য গোপন না করে সঠিকভাবে দিতে হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যতের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার: বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তথ্য প্রচার ও সচেতনতা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’ নিয়ে কোনো ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য চোখে পড়লে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না দিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ে জানাতে হবে। একই সঙ্গে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা যেতে পারে।

এই সময়ে ন্যাশনাল এজেন্সি ফর গ্রিন রেভল্যুশন, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম, জাতীয় আদিবাসী পরিষদসহ দেশের সব আদিবাসী সংগঠন, তরুণ সমাজ ও স্থানীয় উন্নয়নকর্মীদের প্রতি আহ্বান থাকবে—আগামী দিনগুলোতে পাড়ায় পাড়ায়, গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক ও সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এই জরিপে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, বৈচিত্র‍্যরে মধ্যেই বাংলাদেশের সৌন্দর্য নিহিত। একজন প্রান্তিক আদিবাসী নাগরিকের জীবন ও সামাজিক পরিচয়ের মূল্য কোনো অংশেই কম নয়। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং সঠিক তথ্য দিয়ে ‘আদিবাসী জরিপ ২০২৬’ সফল করতে সহযোগিতা করতে হবে। সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্যই পারে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর যথাযথ অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং তাদের সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষার পথ আরও সুগম করতে।

(লেখকের নিজস্ব মত)

[লেখক: উন্নয়নকর্মী]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত