মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মালুচি এলাকায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিপন্ন প্রজাতির ২৪ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ। পরে মাছটি হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজারে নিয়ে ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে ঝিটকা বাজারে মাছটি বিক্রি হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে মালুচি এলাকার পদ্মায় মাছটি এক জেলের জালে ধরা পড়ে।
সকাল ৯টার দিকে মাছ ব্যবসায়ী তাপস হালদার বাঘাইড়টি ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসেন। এসময় বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে হাটে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।
ব্যবসায়ী তাপস হালদার বলেন, ‘মালুচি এলাকার নদী থেকে জেলেদের কাছ থেকে মাছটি কিনে ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসি। পরে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বাজারের ব্যবসায়ী মোন্নাফসহ কয়েকজনের কাছে ভাগে মাছটি বিক্রি করেছি।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পদ্মা নদীতে এখন আর আগের মতো বড় বাঘাইড় মাছ দেখা যায় না। হাটে এত বড় মাছ ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্রেতা ও পথচারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।
আইন অনুযায়ী বাঘাইড় একটি রক্ষিত প্রাণী। হরিরামপুর ও শিবালয় উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বাঘাইড় বন্যপ্রাণী আইনের আওতাধীন প্রজাতি। এসব বিপন্ন মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে জেলেদের নিয়মিত সচেতন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা বন্যপ্রাণী ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মালুচি এলাকায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিপন্ন প্রজাতির ২৪ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ। পরে মাছটি হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজারে নিয়ে ৩৮ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে ঝিটকা বাজারে মাছটি বিক্রি হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে মালুচি এলাকার পদ্মায় মাছটি এক জেলের জালে ধরা পড়ে।
সকাল ৯টার দিকে মাছ ব্যবসায়ী তাপস হালদার বাঘাইড়টি ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসেন। এসময় বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে হাটে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।
ব্যবসায়ী তাপস হালদার বলেন, ‘মালুচি এলাকার নদী থেকে জেলেদের কাছ থেকে মাছটি কিনে ঝিটকা বাজারে নিয়ে আসি। পরে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বাজারের ব্যবসায়ী মোন্নাফসহ কয়েকজনের কাছে ভাগে মাছটি বিক্রি করেছি।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পদ্মা নদীতে এখন আর আগের মতো বড় বাঘাইড় মাছ দেখা যায় না। হাটে এত বড় মাছ ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্রেতা ও পথচারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।
আইন অনুযায়ী বাঘাইড় একটি রক্ষিত প্রাণী। হরিরামপুর ও শিবালয় উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বাঘাইড় বন্যপ্রাণী আইনের আওতাধীন প্রজাতি। এসব বিপন্ন মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে জেলেদের নিয়মিত সচেতন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা বন্যপ্রাণী ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন