অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হলে তথ্য গোপন করে দেশের কোথাও আর বহুবিয়ে কিংবা বাল্যবিয়ের সুযোগ থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেছেন, বিয়ে নিবন্ধনের সকল তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ফলে একজন ব্যক্তি অতীতে বিবাহিত কি না, একাধিক বিয়ে থাকলে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য এবং নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে আইনগত পূর্বানুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, তা মুহূর্তেই খুব সহজেই যাচাই করা সম্ভব হবে।
শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি’ শীর্ষক এক আবাসিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো বলেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, অনলাইনে এই নিবন্ধনের ফলে দেশের বৈবাহিক সম্পর্কের সম্পূর্ণ তথ্য একটি সমন্বিত ডাটাবেজে নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে। এতে দেশের কোথাও বাল্যবিয়ে হচ্ছে কি না, প্রতিবছর মোট কতটি বিয়ে সম্পন্ন হচ্ছে এবং বিয়ে-সংক্রান্ত প্রচলিত আইনগুলো যথাযথভাবে কার্যকর করা হচ্ছে কি না, এসব তথ্য নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা সহজতর হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তি পূর্বে বিবাহিত থাকলে অনলাইনে তা সহজেই যাচাই করে নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না তা পরিষ্কার দেখা যাবে। এতে গোপন বিয়ে, তথ্য গোপন রাখা এবং পরবর্তীতে বিয়ে অস্বীকার করার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর আগের বৈবাহিক সম্পর্কের সঠিক তথ্য জানার সুযোগও তৈরি হবে।
ভবিষ্যতের আইনি জটিলতা নিরসনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, মৃত্যুর পর স্ত্রী বা সন্তান পরিচয়ে একাধিক ব্যক্তি সম্পত্তি বা অধিকার দাবি করলেও এই নিবন্ধিত ডিজিটাল তথ্যের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য সহজেই যাচাই করা যাবে। এমনকি বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে অনলাইনেই বৈবাহিক তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব নিকাহ রেজিস্ট্রারকে এই আধুনিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্পের এই অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হলে তথ্য গোপন করে দেশের কোথাও আর বহুবিয়ে কিংবা বাল্যবিয়ের সুযোগ থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেছেন, বিয়ে নিবন্ধনের সকল তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ফলে একজন ব্যক্তি অতীতে বিবাহিত কি না, একাধিক বিয়ে থাকলে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য এবং নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে আইনগত পূর্বানুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, তা মুহূর্তেই খুব সহজেই যাচাই করা সম্ভব হবে।
শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি’ শীর্ষক এক আবাসিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো বলেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, অনলাইনে এই নিবন্ধনের ফলে দেশের বৈবাহিক সম্পর্কের সম্পূর্ণ তথ্য একটি সমন্বিত ডাটাবেজে নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে। এতে দেশের কোথাও বাল্যবিয়ে হচ্ছে কি না, প্রতিবছর মোট কতটি বিয়ে সম্পন্ন হচ্ছে এবং বিয়ে-সংক্রান্ত প্রচলিত আইনগুলো যথাযথভাবে কার্যকর করা হচ্ছে কি না, এসব তথ্য নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা সহজতর হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তি পূর্বে বিবাহিত থাকলে অনলাইনে তা সহজেই যাচাই করে নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না তা পরিষ্কার দেখা যাবে। এতে গোপন বিয়ে, তথ্য গোপন রাখা এবং পরবর্তীতে বিয়ে অস্বীকার করার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর আগের বৈবাহিক সম্পর্কের সঠিক তথ্য জানার সুযোগও তৈরি হবে।
ভবিষ্যতের আইনি জটিলতা নিরসনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, মৃত্যুর পর স্ত্রী বা সন্তান পরিচয়ে একাধিক ব্যক্তি সম্পত্তি বা অধিকার দাবি করলেও এই নিবন্ধিত ডিজিটাল তথ্যের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য সহজেই যাচাই করা যাবে। এমনকি বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে অনলাইনেই বৈবাহিক তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব নিকাহ রেজিস্ট্রারকে এই আধুনিক অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্পের এই অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন