দেশে চলমান এলপিজি গ্যাসের তীব্র সরবরাহ সংকট এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রির অনিয়মের অভিযোগে দেশের শীর্ষ আমদানিকারকদের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এলপিজি আমদানিকারকদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সরকারের সার্বিক বাজার নজরদারির অংশ হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হলেও বৈঠকে সুনির্দিষ্টভাবে কী ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও জনপদে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে এলপিজি সিলিন্ডার না পাওয়ার তীব্র হাহাকার তৈরি হয়েছে।
কোথাও কোথাও ১২ কেজির একটি স্ট্যান্ডার্ড সিলিন্ডার ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেশি মূল্য হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও বাজারে ক্রেতাদের ২ হাজার টাকা বা তার চেয়েও বেশি চড়া দামে তা কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে এক বৈঠকে আমদানিকারকেরা দেশবাসীর জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিয়ে সরকারকে জোরালো আশ্বস্ত করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, দেশে বর্তমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই পর্যাপ্ত এলপিজি আমদানি হয়েছে। কিন্তু আমদানিকারকদের সেই আশ্বাসের পরও বাজারে সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির নৈরাজ্য থামেনি। অন্যদিকে, আমদানির প্রকৃত তথ্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।
একটি সূত্র জানায়, আগস্ট মাসে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হলেও সেপ্টেম্বর মাসে তা কমে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টনে এসে ঠেকেছে। আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক নৌপথে জাহাজ সংকট ও বাড়তি পরিবহন ব্যয়কে এর জন্য দায়ী করলেও অপারেটরদের অন্য একটি অংশ কার্গো বাজারে ছাড়তে বিলম্ব করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছে। এই বহুমুখী সংকটের সুরাহায় জেলা প্রশাসকদের কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
দেশে চলমান এলপিজি গ্যাসের তীব্র সরবরাহ সংকট এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রির অনিয়মের অভিযোগে দেশের শীর্ষ আমদানিকারকদের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এলপিজি আমদানিকারকদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সরকারের সার্বিক বাজার নজরদারির অংশ হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হলেও বৈঠকে সুনির্দিষ্টভাবে কী ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও জনপদে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে এলপিজি সিলিন্ডার না পাওয়ার তীব্র হাহাকার তৈরি হয়েছে।
কোথাও কোথাও ১২ কেজির একটি স্ট্যান্ডার্ড সিলিন্ডার ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেশি মূল্য হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও বাজারে ক্রেতাদের ২ হাজার টাকা বা তার চেয়েও বেশি চড়া দামে তা কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে এক বৈঠকে আমদানিকারকেরা দেশবাসীর জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিয়ে সরকারকে জোরালো আশ্বস্ত করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, দেশে বর্তমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই পর্যাপ্ত এলপিজি আমদানি হয়েছে। কিন্তু আমদানিকারকদের সেই আশ্বাসের পরও বাজারে সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির নৈরাজ্য থামেনি। অন্যদিকে, আমদানির প্রকৃত তথ্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।
একটি সূত্র জানায়, আগস্ট মাসে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হলেও সেপ্টেম্বর মাসে তা কমে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টনে এসে ঠেকেছে। আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক নৌপথে জাহাজ সংকট ও বাড়তি পরিবহন ব্যয়কে এর জন্য দায়ী করলেও অপারেটরদের অন্য একটি অংশ কার্গো বাজারে ছাড়তে বিলম্ব করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছে। এই বহুমুখী সংকটের সুরাহায় জেলা প্রশাসকদের কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন