জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
ওই অনুষ্ঠানের একটি ছবি শনিবার (৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিটি হোয়াইট হাউসের সৌজন্যে পাওয়া গেছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মাঝখানে রেখে দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান। ছবিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
গত ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে বিশ্বনেতাদের সম্মানে এই নৈশভোজের আয়োজন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীরা অংশ নেন।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ।
চার দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ এবং ৬টি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সফরকালে ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। সংঘাত নিরসনে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটের একমাত্র সমাধান। স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেন।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ ও জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে আলোচনা করেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
ওই অনুষ্ঠানের একটি ছবি শনিবার (৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিটি হোয়াইট হাউসের সৌজন্যে পাওয়া গেছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মাঝখানে রেখে দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান। ছবিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
গত ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে বিশ্বনেতাদের সম্মানে এই নৈশভোজের আয়োজন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীরা অংশ নেন।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ।
চার দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ এবং ৬টি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সফরকালে ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। সংঘাত নিরসনে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটের একমাত্র সমাধান। স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেন।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ ও জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে আলোচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন