সংবাদ

ভিটেমাটি হারানো বৃদ্ধার ক্ষতিপূরণ জালিয়াতি, মিলেনি আবাসন প্লট


নিজস্ব বার্তা প‌রি‌বেশক,মাদারীপুর
নিজস্ব বার্তা প‌রি‌বেশক,মাদারীপুর
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

ভিটেমাটি হারানো বৃদ্ধার ক্ষতিপূরণ জালিয়াতি, মিলেনি আবাসন প্লট
ছবি : সংগৃহীত

পদ্মা সেতু বহুমুখী প্রকল্পের জন্য ভিটেমাটি হারানো মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি এলাকার ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা জুলুশা বেগম সরকারি ক্ষতিপূরণ জালিয়াতি ও আবাসন প্লট সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে তার বাড়িঘর অধিগ্রহণের ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ভুক্তভোগী পরিবারকে না জানিয়ে তুলে নেয় একটি চক্র। ফলে তালিকায় নাম না থাকায় সরকারি আবাসন প্রকল্পের একটি আবাসিক প্লট বরাদ্দ পাননি তিনি।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, তৎকালীন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের তৎকালীন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজ ফকির জাল ক্ষমতার বলে এই অর্থ তুলে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এবং আইনের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলে প্রভাবশালী চক্রটি ভয়ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে সিরাজ মেম্বার কিছু টাকা দিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। তবে অভিযুক্ত সিরাজ ফকিরের দাবি, তিনি অনিবন্ধিত ক্ষমতাপত্রের মাধ্যমে বিল তুলে পরিবারটিকে টাকা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

দীর্ঘদিন গৃহহীন ও আতঙ্কে দিন কাটানো পরিবারটি দোষীদের শাস্তি এবং একটি সরকারি প্লটের আকুল দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার জানান, বিষয়টি বেশ পুরোনো হলেও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


ভিটেমাটি হারানো বৃদ্ধার ক্ষতিপূরণ জালিয়াতি, মিলেনি আবাসন প্লট

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পদ্মা সেতু বহুমুখী প্রকল্পের জন্য ভিটেমাটি হারানো মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি এলাকার ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা জুলুশা বেগম সরকারি ক্ষতিপূরণ জালিয়াতি ও আবাসন প্লট সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে তার বাড়িঘর অধিগ্রহণের ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ভুক্তভোগী পরিবারকে না জানিয়ে তুলে নেয় একটি চক্র। ফলে তালিকায় নাম না থাকায় সরকারি আবাসন প্রকল্পের একটি আবাসিক প্লট বরাদ্দ পাননি তিনি।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, তৎকালীন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের তৎকালীন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজ ফকির জাল ক্ষমতার বলে এই অর্থ তুলে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এবং আইনের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলে প্রভাবশালী চক্রটি ভয়ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে সিরাজ মেম্বার কিছু টাকা দিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। তবে অভিযুক্ত সিরাজ ফকিরের দাবি, তিনি অনিবন্ধিত ক্ষমতাপত্রের মাধ্যমে বিল তুলে পরিবারটিকে টাকা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

দীর্ঘদিন গৃহহীন ও আতঙ্কে দিন কাটানো পরিবারটি দোষীদের শাস্তি এবং একটি সরকারি প্লটের আকুল দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার জানান, বিষয়টি বেশ পুরোনো হলেও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত