বগুড়ার মোকামতলার বিশ্বরোড এলাকায় মহাসড়ক দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড ও বিভিন্ন দোকানপাট। এতে যান চলাচলের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তীব্র যানজট ও ঘন ঘন দুর্ঘটনা ঘটছে। চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকিতে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা।
সরজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের দুই পাশের ধীরগতির (স্লো) লেনে সারি সারি দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি স্ট্যান্ড বানিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মোকামতলা বিশ্বরোড উত্তরাঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত। কিন্তু মূল সড়কের দুই পাশ সংকুচিত করে দোকান ও স্ট্যান্ড বসানোয় পথচারীদের রাস্তা পারাপার হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিপূর্বে গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও এর কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি তাঁরা।
এ বিষয়ে বগুড়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় আমরা নিয়মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছি। মোকামতলা মহাসড়কের ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকলে খুব শিগগিরই তা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কুন্দারহাট মহাসড়ক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রইচ উদ্দিন বলেন, ‘আমি নতুন যোগ দিয়েছি। মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। তবে মোকামতলার বিষয়টি আগে এভাবে নজরে আসেনি। দুই-এক দিনের মধ্যে সেখানে থাকা অবৈধ দোকানপাট ও স্ট্যান্ড সরিয়ে দেওয়া হবে।’

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার মোকামতলার বিশ্বরোড এলাকায় মহাসড়ক দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড ও বিভিন্ন দোকানপাট। এতে যান চলাচলের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তীব্র যানজট ও ঘন ঘন দুর্ঘটনা ঘটছে। চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকিতে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা।
সরজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের দুই পাশের ধীরগতির (স্লো) লেনে সারি সারি দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি স্ট্যান্ড বানিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মোকামতলা বিশ্বরোড উত্তরাঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত। কিন্তু মূল সড়কের দুই পাশ সংকুচিত করে দোকান ও স্ট্যান্ড বসানোয় পথচারীদের রাস্তা পারাপার হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিপূর্বে গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও এর কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি তাঁরা।
এ বিষয়ে বগুড়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় আমরা নিয়মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছি। মোকামতলা মহাসড়কের ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকলে খুব শিগগিরই তা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কুন্দারহাট মহাসড়ক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রইচ উদ্দিন বলেন, ‘আমি নতুন যোগ দিয়েছি। মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। তবে মোকামতলার বিষয়টি আগে এভাবে নজরে আসেনি। দুই-এক দিনের মধ্যে সেখানে থাকা অবৈধ দোকানপাট ও স্ট্যান্ড সরিয়ে দেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন