বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গুণী শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সম্মানিত শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন এবং প্রিয়জন হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে শিক্ষা-দীক্ষার মাধ্যমে একজন সুনাগরিক হিসেবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হয়ে উঠবে।
সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পারিবারিক পাঠশালার গণ্ডি পেরোনোর পর প্রতিটি শিক্ষার্থীর সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকারা যে আদর্শ রোল মডেল হিসেবে কাজ করেন তা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষকরা যাতে নিজেদের একজন আত্মবিশ্বাসী রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।
বর্তমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রথাগত মুখস্থ বিদ্যা পরিহার করে কারিগরি ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি বলে মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান।
শিক্ষার্থীদের বইবিমুখতা রোধে শিখন ও শিক্ষণ পদ্ধতির আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাস অনুযায়ী বই হাতে পাচ্ছে এবং প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস শিরোনামের নতুন বই তুলে দেওয়া হচ্ছে।
প্রযুক্তিকে কখনো শিক্ষকের বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বরং একজন শিক্ষক, একটি ট্যাব কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের ডিজিটাল লেসন প্ল্যান ও প্রশ্নব্যাংক ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করে আধুনিক প্রযুক্তিকে শিক্ষকের মূল শক্তিতে রূপান্তর করা হচ্ছে।
শিক্ষক সমাজের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্মান সুনিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শিক্ষকতা পেশা কখনোই কোনো উপায়হীন বিকল্প বা সাধারণ চাকরি হতে পারে না, বরং দেশের সবচেয়ে মেধাবী মানুষেরা যেন এই পেশাকে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নেন, সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
একই সঙ্গে শিক্ষকদের আর বেতন বা অবসরভাতার জন্য অফিসে ঘুরে কষ্ট করতে হবে না উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন, যথানিয়মে যথাসময়ে তাদের প্রাপ্য অর্থ সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমেই পৌঁছে দেওয়া হবে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গুণী শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সম্মানিত শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন এবং প্রিয়জন হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে শিক্ষা-দীক্ষার মাধ্যমে একজন সুনাগরিক হিসেবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হয়ে উঠবে।
সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পারিবারিক পাঠশালার গণ্ডি পেরোনোর পর প্রতিটি শিক্ষার্থীর সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকারা যে আদর্শ রোল মডেল হিসেবে কাজ করেন তা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষকরা যাতে নিজেদের একজন আত্মবিশ্বাসী রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।
বর্তমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রথাগত মুখস্থ বিদ্যা পরিহার করে কারিগরি ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি বলে মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান।
শিক্ষার্থীদের বইবিমুখতা রোধে শিখন ও শিক্ষণ পদ্ধতির আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাস অনুযায়ী বই হাতে পাচ্ছে এবং প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস শিরোনামের নতুন বই তুলে দেওয়া হচ্ছে।
প্রযুক্তিকে কখনো শিক্ষকের বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বরং একজন শিক্ষক, একটি ট্যাব কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের ডিজিটাল লেসন প্ল্যান ও প্রশ্নব্যাংক ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করে আধুনিক প্রযুক্তিকে শিক্ষকের মূল শক্তিতে রূপান্তর করা হচ্ছে।
শিক্ষক সমাজের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্মান সুনিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শিক্ষকতা পেশা কখনোই কোনো উপায়হীন বিকল্প বা সাধারণ চাকরি হতে পারে না, বরং দেশের সবচেয়ে মেধাবী মানুষেরা যেন এই পেশাকে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নেন, সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
একই সঙ্গে শিক্ষকদের আর বেতন বা অবসরভাতার জন্য অফিসে ঘুরে কষ্ট করতে হবে না উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন, যথানিয়মে যথাসময়ে তাদের প্রাপ্য অর্থ সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমেই পৌঁছে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন