ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাত ও উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে এক হামলায় অন্তত ৩ জন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে বিমানবন্দর অবকাঠামো ও সংলগ্ন এলাকায় বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার গভীর রাতে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে একযোগে হামলা চালায় হুতিরা। এতে তিনজন সামান্য আহত হন এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে
ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী হুতি বিদ্রোহীরা এক পৃথক বার্তায় জানায়, তারা তাদের ড্রোনে ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে দক্ষিণ সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটি ও বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।
তবে এই হামলায় ঠিক কী ধরনের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের সময়সূচি ব্যাহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি রিয়াদ।
উলেখ্য, ২০১৪ সালে হুতিরা সানা দখল করার পর ২০১৫ সাল থেকে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট। ২০২২ সালে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর বড় ধরনের হামলা অনেকাংশে কমে আসলেও, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত এলাকায় হামলা-পাল্টা হামলার ঝুঁকি আবারও তীব্র রূপ নিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাত ও উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে এক হামলায় অন্তত ৩ জন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে বিমানবন্দর অবকাঠামো ও সংলগ্ন এলাকায় বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার গভীর রাতে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে একযোগে হামলা চালায় হুতিরা। এতে তিনজন সামান্য আহত হন এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে
ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী হুতি বিদ্রোহীরা এক পৃথক বার্তায় জানায়, তারা তাদের ড্রোনে ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে দক্ষিণ সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটি ও বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।
তবে এই হামলায় ঠিক কী ধরনের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের সময়সূচি ব্যাহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি রিয়াদ।
উলেখ্য, ২০১৪ সালে হুতিরা সানা দখল করার পর ২০১৫ সাল থেকে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট। ২০২২ সালে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর বড় ধরনের হামলা অনেকাংশে কমে আসলেও, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত এলাকায় হামলা-পাল্টা হামলার ঝুঁকি আবারও তীব্র রূপ নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন