রাশিয়ার তথাকথিত ‘হাইব্রিড হামলা’ ও অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং সংস্থাগুলোর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক বছরের জন্য বাড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সংশোধিত এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিযোগ, সংস্থাটির সদস্য রাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোকে নিশানা করে ক্রেমলিন তথ্যের অপব্যবহার, সাইবার নিরাপত্তা বিনষ্ট এবং বিভিন্ন ধরনের হস্তক্ষেপমূলক পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। এসব ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড সাম্প্রতিক সময়ে আরও জোরালো করা হয়েছে বলেও দাবি করে ইইউ।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের তথ্যমতে, এই বিধিনিষেধের তালিকায় মোট ৮০ জন ব্যক্তি এবং ২০টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সিদ্ধান্তের ফলে তালিকাভুক্তদের ইইউভুক্ত দেশগুলোতে থাকা সব ধরনের আর্থিক সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ থাকবে। এর পাশাপাশি ইইউর কোনো নাগরিক বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে পারবে না।
একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমানায় প্রবেশ ও ইইউ ভূখণ্ড ব্যবহার করে যাতায়াতের ওপর কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখা হয়েছে। রাশিয়ার এই রূপাত্মক বা হাইব্রিড তৎপরতা প্রতিহত করতেই এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে ইইউ।
/

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
রাশিয়ার তথাকথিত ‘হাইব্রিড হামলা’ ও অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং সংস্থাগুলোর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক বছরের জন্য বাড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সংশোধিত এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ইউরোপীয় কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিযোগ, সংস্থাটির সদস্য রাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোকে নিশানা করে ক্রেমলিন তথ্যের অপব্যবহার, সাইবার নিরাপত্তা বিনষ্ট এবং বিভিন্ন ধরনের হস্তক্ষেপমূলক পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। এসব ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড সাম্প্রতিক সময়ে আরও জোরালো করা হয়েছে বলেও দাবি করে ইইউ।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের তথ্যমতে, এই বিধিনিষেধের তালিকায় মোট ৮০ জন ব্যক্তি এবং ২০টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সিদ্ধান্তের ফলে তালিকাভুক্তদের ইইউভুক্ত দেশগুলোতে থাকা সব ধরনের আর্থিক সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ থাকবে। এর পাশাপাশি ইইউর কোনো নাগরিক বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে পারবে না।
একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমানায় প্রবেশ ও ইইউ ভূখণ্ড ব্যবহার করে যাতায়াতের ওপর কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখা হয়েছে। রাশিয়ার এই রূপাত্মক বা হাইব্রিড তৎপরতা প্রতিহত করতেই এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে ইইউ।
/

আপনার মতামত লিখুন