বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই রাজনৈতিক চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান।
তিনি জানান, রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের পরামর্শ ও সহায়তায় একটি গোষ্ঠী গোপনে দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে শহীদ জেহাদ পরিষদ আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমানউল্লাহ আমান এসব কথা বলেন। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের ৩৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ও সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, "তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত শুরু হয়েছে। ফ্যাসিস্টদের পরামর্শে এবং তাদের সঙ্গে কেউ কেউ গুপ্তভাবে দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনের চেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট ও জান্নাতিরা ভেতরে ভেতরে একই আন্দোলন করতে চায়।"
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, "বাংলাদেশের জনগণ তারেক রহমানকে সমর্থন দিয়েছে। আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে সভাপতিত্ব করছেন এবং সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখছেন। এটি বাংলাদেশের একটি বড় কূটনৈতিক অর্জন।"
পলাতক স্বৈরাচারদের প্রত্যাবাসন ও জুলাই অভ্যুত্থানের বিচারিক প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে আমানউল্লাহ আমান বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাস ও পৃথিবীর ইতিহাস বলে, কোনো পলাতক ফ্যাসিস্টই কখনো নিজ দেশে ফিরে আসতে পারে না। কেউ ফিরে আসার চেষ্টা করলে তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। হাজার হাজার ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে।"
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করে আমানউল্লাহ আমান বলেন, "আপনি ঠান্ডা মাথায় ও সুস্থ মস্তিষ্কে সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করছেন।"
সরকারের জাতীয় উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে গতিশীল রাখতে দেশের আপামর জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকার জোর আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্র পরিচালনায় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে আমানউল্লাহ আমান আরও বলেন, "তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখে জনগণ তাকে ক্ষমতায় এনেছে। ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন।"
গণতান্ত্রিক চর্চা ও ক্ষমতার রূপান্তর প্রসঙ্গে নির্বাচনী রূপরেখা স্পষ্ট করে এই বিএনপি নেতা মন্তব্য করেন, "পাঁচ বছর পর নির্বাচন হবে। তখন জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে, কারা আবার ক্ষমতায় আসবে। এ জন্য সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে। তাড়াহুড়ো করার কোনো সুযোগ নেই। অনিয়মেরও কোনো জায়গা নেই। অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় আসার কোনো সুযোগ নেই।"
উক্ত স্মরণসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি অন্যান্য জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ অন্যান্যরা।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই রাজনৈতিক চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান।
তিনি জানান, রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের পরামর্শ ও সহায়তায় একটি গোষ্ঠী গোপনে দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে শহীদ জেহাদ পরিষদ আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমানউল্লাহ আমান এসব কথা বলেন। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের ৩৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ও সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, "তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত শুরু হয়েছে। ফ্যাসিস্টদের পরামর্শে এবং তাদের সঙ্গে কেউ কেউ গুপ্তভাবে দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনের চেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট ও জান্নাতিরা ভেতরে ভেতরে একই আন্দোলন করতে চায়।"
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, "বাংলাদেশের জনগণ তারেক রহমানকে সমর্থন দিয়েছে। আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে সভাপতিত্ব করছেন এবং সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখছেন। এটি বাংলাদেশের একটি বড় কূটনৈতিক অর্জন।"
পলাতক স্বৈরাচারদের প্রত্যাবাসন ও জুলাই অভ্যুত্থানের বিচারিক প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে আমানউল্লাহ আমান বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাস ও পৃথিবীর ইতিহাস বলে, কোনো পলাতক ফ্যাসিস্টই কখনো নিজ দেশে ফিরে আসতে পারে না। কেউ ফিরে আসার চেষ্টা করলে তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। হাজার হাজার ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে।"
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করে আমানউল্লাহ আমান বলেন, "আপনি ঠান্ডা মাথায় ও সুস্থ মস্তিষ্কে সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করছেন।"
সরকারের জাতীয় উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে গতিশীল রাখতে দেশের আপামর জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকার জোর আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্র পরিচালনায় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে আমানউল্লাহ আমান আরও বলেন, "তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখে জনগণ তাকে ক্ষমতায় এনেছে। ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন।"
গণতান্ত্রিক চর্চা ও ক্ষমতার রূপান্তর প্রসঙ্গে নির্বাচনী রূপরেখা স্পষ্ট করে এই বিএনপি নেতা মন্তব্য করেন, "পাঁচ বছর পর নির্বাচন হবে। তখন জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে, কারা আবার ক্ষমতায় আসবে। এ জন্য সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে। তাড়াহুড়ো করার কোনো সুযোগ নেই। অনিয়মেরও কোনো জায়গা নেই। অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় আসার কোনো সুযোগ নেই।"
উক্ত স্মরণসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি অন্যান্য জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ অন্যান্যরা।

আপনার মতামত লিখুন