মাল্টা, পোলাওয়ের চাল, ডিম ও এলপিজি সিলিন্ডারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দেশে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান বিরোধীদলীয় এই শীর্ষ নেতা।
নাহিদ ইসলাম তথ্য তুলে ধরে লেখেন, বাজারে টানা দুই মাস ধরে প্রতি কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ আমদানির দাপ্তরিক নথি অনুযায়ী প্রতি কেজির কেনা দাম মাত্র ৮৭ টাকা। সব ধরনের শুল্ক, পরিবহন খরচ ও যৌক্তিক মুনাফা যোগ করলেও খুচরা পর্যায়ে দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। আমদানির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এবার ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হওয়া সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে গত দুই মাসে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অসাধু চক্র।
একইভাবে ১২০ টাকার পোলাওয়ের চাল ২৪০ টাকায় বিক্রি করে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপির এই নেতা। এ ছাড়া ১২০ টাকা ডজনের ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি এবং সিলিন্ডার গ্যাসে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায়ের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশ আবারো পুরোনো ফ্যাসিবাদী আমলের মতো সিন্ডিকেটের দখলে চলে গেছে। তিনি অবিলম্বে এই অসাধু বাণিজ্য চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
\

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
মাল্টা, পোলাওয়ের চাল, ডিম ও এলপিজি সিলিন্ডারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দেশে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান বিরোধীদলীয় এই শীর্ষ নেতা।
নাহিদ ইসলাম তথ্য তুলে ধরে লেখেন, বাজারে টানা দুই মাস ধরে প্রতি কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ আমদানির দাপ্তরিক নথি অনুযায়ী প্রতি কেজির কেনা দাম মাত্র ৮৭ টাকা। সব ধরনের শুল্ক, পরিবহন খরচ ও যৌক্তিক মুনাফা যোগ করলেও খুচরা পর্যায়ে দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। আমদানির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এবার ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হওয়া সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে গত দুই মাসে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অসাধু চক্র।
একইভাবে ১২০ টাকার পোলাওয়ের চাল ২৪০ টাকায় বিক্রি করে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপির এই নেতা। এ ছাড়া ১২০ টাকা ডজনের ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি এবং সিলিন্ডার গ্যাসে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায়ের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশ আবারো পুরোনো ফ্যাসিবাদী আমলের মতো সিন্ডিকেটের দখলে চলে গেছে। তিনি অবিলম্বে এই অসাধু বাণিজ্য চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
\

আপনার মতামত লিখুন