সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে গেছেন এবং তিনি আর কখনোই বাংলাদেশে ফিরবেন না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে ফিরে ফাঁসির দড়িতে ঝুলবেন - তিনি এত বোকা নন। তিনি ভারতে গেছেন, বাংলাদেশে ফেরার জন্য যাননি।’
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ ওয়াজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন না। তার ফেরার কোনো সুযোগও নেই। কারণ বাংলাদেশে যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার মূল নির্দেশদাতা ছিলেন শেখ হাসিনা নিজে। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর তার আর কোনোদিন দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই।’
রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বড় দলগুলোর নির্বাচনের প্রস্তুতি সবসময়ই থাকে। স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজস্ব জায়গা থেকে প্রচারণা চালাতে পারেন। তবে দলভিত্তিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক।
বক্তব্যের একপর্যায়ে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে আদালতে লড়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তারা রাজপথে নামেননি। যে আইনজীবী আবরারের খুনিদের পক্ষে দাঁড়ান, তাকে রাজনীতিতে ধারণ করা আর আবরারের চেতনাকে ধারণ করা একসাথে চলতে পারে না।” এই বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীকে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে গেছেন এবং তিনি আর কখনোই বাংলাদেশে ফিরবেন না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে ফিরে ফাঁসির দড়িতে ঝুলবেন - তিনি এত বোকা নন। তিনি ভারতে গেছেন, বাংলাদেশে ফেরার জন্য যাননি।’
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ ওয়াজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন না। তার ফেরার কোনো সুযোগও নেই। কারণ বাংলাদেশে যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার মূল নির্দেশদাতা ছিলেন শেখ হাসিনা নিজে। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর তার আর কোনোদিন দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই।’
রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বড় দলগুলোর নির্বাচনের প্রস্তুতি সবসময়ই থাকে। স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজস্ব জায়গা থেকে প্রচারণা চালাতে পারেন। তবে দলভিত্তিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক।
বক্তব্যের একপর্যায়ে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে আদালতে লড়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তারা রাজপথে নামেননি। যে আইনজীবী আবরারের খুনিদের পক্ষে দাঁড়ান, তাকে রাজনীতিতে ধারণ করা আর আবরারের চেতনাকে ধারণ করা একসাথে চলতে পারে না।” এই বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীকে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন