সংবাদ

ডেঙ্গু নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে সঠিক তথ্য প্রকাশের আহ্বান মেয়র শাহাদাতের


প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম

ডেঙ্গু নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে সঠিক তথ্য প্রকাশের আহ্বান মেয়র শাহাদাতের
ছবি : সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সঠিক তথ্য উপস্থাপন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। তথ্যের বিভ্রান্তি তৈরি হলে প্রকৃত সংক্রমণ পরিস্থিতি আড়ালে থেকে যায় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোও জবাবদিহির বাইরে চলে যায়।

রোববার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের হোটেল পেনিনসুলার ডালিয়া হলে ‘ডিভিশনাল লেভেল ট্রেনিং অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু’ শীর্ষক বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করলেই হবে না; কোন এলাকায় সংক্রমণ বেশি, কোথায় মশার প্রজননস্থল রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কী ভূমিকা পালন করছে, তা সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। রোগীদের চিকিৎসার স্থান বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের আক্রান্ত হওয়ার এলাকা নির্ধারণ করলে প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সঠিক তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। তথ্যের বিভ্রান্তির কারণে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ দায় এড়ানোর সুযোগ পায়। তাই প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার রোগীরা নগরীর হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসেন উল্লেখ করে মেয়র বলেন, হাসপাতালে রোগী ভর্তি হলেই তাঁকে চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। নগরী ও উপজেলাভিত্তিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করা জরুরি।

সীতাকুণ্ডে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বারোপ মেয়র তার বক্তব্যে সীতাকুণ্ডসহ চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু নগরকেন্দ্রিক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর বাইরেও প্রয়োজন অনুযায়ী মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণে লার্ভিসাইড প্রয়োগসহ সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

থেমে থেমে বৃষ্টি ও জমে থাকা পানিতে বাড়ছে ঝুঁকি সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে মেয়র বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন স্থানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকছে। এসব পানি এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি করছে। তাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশা নিধনের পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বাসাবাড়ির ছাদবাগানের টব, পরিত্যক্ত বোতল, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবন এবং বিভিন্ন স্থাপনার আশপাশে জমে থাকা পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি করে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবনে দীর্ঘদিন পানি জমিয়ে রাখা এবং হাসপাতালসহ জনবহুল এলাকায় ডাবের খোসা যত্রতত্র ফেলে রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেখানে পানি জমে থাকে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কোনো পাত্রে বা স্থানে পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে। সবাই সচেতন হলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।’

তিনি জানান, মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করতে চসিক বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে এবং আইন লঙ্ঘনের দায়ে জরিমানা করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়ে মেয়র জানান, চসিক চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বিনামূল্যে ডেঙ্গুর এনএস ওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষা এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে ডেঙ্গু সেন্টার চালু করেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বেলায়েত হোসেন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ফিল্ড অফিসের প্রধান মাধুরী ব্যানার্জি।

রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সহযোগিতায় এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সমর্থনে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনা, রোগীর জটিলতা শনাক্তকরণ এবং কার্যকর চিকিৎসার মাধ্যমে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


ডেঙ্গু নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে সঠিক তথ্য প্রকাশের আহ্বান মেয়র শাহাদাতের

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সঠিক তথ্য উপস্থাপন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। তথ্যের বিভ্রান্তি তৈরি হলে প্রকৃত সংক্রমণ পরিস্থিতি আড়ালে থেকে যায় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোও জবাবদিহির বাইরে চলে যায়।

রোববার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের হোটেল পেনিনসুলার ডালিয়া হলে ‘ডিভিশনাল লেভেল ট্রেনিং অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু’ শীর্ষক বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করলেই হবে না; কোন এলাকায় সংক্রমণ বেশি, কোথায় মশার প্রজননস্থল রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কী ভূমিকা পালন করছে, তা সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। রোগীদের চিকিৎসার স্থান বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের আক্রান্ত হওয়ার এলাকা নির্ধারণ করলে প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সঠিক তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। তথ্যের বিভ্রান্তির কারণে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ দায় এড়ানোর সুযোগ পায়। তাই প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার রোগীরা নগরীর হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসেন উল্লেখ করে মেয়র বলেন, হাসপাতালে রোগী ভর্তি হলেই তাঁকে চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। নগরী ও উপজেলাভিত্তিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করা জরুরি।

সীতাকুণ্ডে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বারোপ মেয়র তার বক্তব্যে সীতাকুণ্ডসহ চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু নগরকেন্দ্রিক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর বাইরেও প্রয়োজন অনুযায়ী মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণে লার্ভিসাইড প্রয়োগসহ সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

থেমে থেমে বৃষ্টি ও জমে থাকা পানিতে বাড়ছে ঝুঁকি সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে মেয়র বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন স্থানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকছে। এসব পানি এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি করছে। তাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশা নিধনের পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বাসাবাড়ির ছাদবাগানের টব, পরিত্যক্ত বোতল, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবন এবং বিভিন্ন স্থাপনার আশপাশে জমে থাকা পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি করে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবনে দীর্ঘদিন পানি জমিয়ে রাখা এবং হাসপাতালসহ জনবহুল এলাকায় ডাবের খোসা যত্রতত্র ফেলে রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেখানে পানি জমে থাকে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কোনো পাত্রে বা স্থানে পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে। সবাই সচেতন হলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।’

তিনি জানান, মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করতে চসিক বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে এবং আইন লঙ্ঘনের দায়ে জরিমানা করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়ে মেয়র জানান, চসিক চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বিনামূল্যে ডেঙ্গুর এনএস ওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষা এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে ডেঙ্গু সেন্টার চালু করেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বেলায়েত হোসেন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ফিল্ড অফিসের প্রধান মাধুরী ব্যানার্জি।

রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সহযোগিতায় এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সমর্থনে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনা, রোগীর জটিলতা শনাক্তকরণ এবং কার্যকর চিকিৎসার মাধ্যমে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত