চাঁদপুরে জেলেদের ভিজিএফের চাল আত্মসাতের একটি অপচেষ্টা স্থানীয় প্রশাসন নস্যাৎ করে দিয়েছে। সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের সচিবের বিরুদ্ধে জেলেদের এই চাল গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে পাচার করে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়িভর্তি ৯২ বস্তা চাল আটকের চেষ্টা চালায় প্রশাসন। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সরাসরি হস্তক্ষেপে চালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দকৃত এই চালগুলো সিএসডি গুদামে পুনরায় জমা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এলাকাবাসী জানায়, তাদের এলাকায় মোট জেলের সংখ্যা ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার। এলাকার গোডাউনে এত চাল ধারণের ক্ষমতা না থাকায় অতীতে দুই ধাপে সরকারি গুদাম থেকে চাল আনা হতো। তবে এই ইউনিয়নে এখনো জেলেদের চাল বিতরণ করা হয়নি। পুরো বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের সচিব গোলাম মোস্তফা শামীম জানান, তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব তিনি সঠিকভাবে পালন করেছেন। তার এই ইউনিয়নে মোট বরাদ্দ ছিল ১১৩ মেট্রিক টন চাল। তিনি ১০৪ টন চাল ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে রাখতে পেরেছেন এবং জায়গা না হওয়ায় বাকি ৯ মেট্রিক টন চাল সরকারি সিএসডি গুদামে রাখা হয়েছে।
ইউনিয়নে এখনো চাল বিতরণই শুরু করা হয়নি, তবে চাল বিক্রি করা হলো কীভাবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবেই চাল বিতরণের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী বুধবার তার ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে মা ইলিশ রক্ষা কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হবে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুরে জেলেদের ভিজিএফের চাল আত্মসাতের একটি অপচেষ্টা স্থানীয় প্রশাসন নস্যাৎ করে দিয়েছে। সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের সচিবের বিরুদ্ধে জেলেদের এই চাল গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে পাচার করে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়িভর্তি ৯২ বস্তা চাল আটকের চেষ্টা চালায় প্রশাসন। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সরাসরি হস্তক্ষেপে চালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দকৃত এই চালগুলো সিএসডি গুদামে পুনরায় জমা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এলাকাবাসী জানায়, তাদের এলাকায় মোট জেলের সংখ্যা ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার। এলাকার গোডাউনে এত চাল ধারণের ক্ষমতা না থাকায় অতীতে দুই ধাপে সরকারি গুদাম থেকে চাল আনা হতো। তবে এই ইউনিয়নে এখনো জেলেদের চাল বিতরণ করা হয়নি। পুরো বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের সচিব গোলাম মোস্তফা শামীম জানান, তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব তিনি সঠিকভাবে পালন করেছেন। তার এই ইউনিয়নে মোট বরাদ্দ ছিল ১১৩ মেট্রিক টন চাল। তিনি ১০৪ টন চাল ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে রাখতে পেরেছেন এবং জায়গা না হওয়ায় বাকি ৯ মেট্রিক টন চাল সরকারি সিএসডি গুদামে রাখা হয়েছে।
ইউনিয়নে এখনো চাল বিতরণই শুরু করা হয়নি, তবে চাল বিক্রি করা হলো কীভাবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবেই চাল বিতরণের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী বুধবার তার ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে মা ইলিশ রক্ষা কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন