ফেনীতে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সাইবার সেল ইউনিট আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইলগুলো উদ্ধার করে। পরে উদ্ধার করা এসব মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফেনী জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে সাইবার সেল ইউনিট অনুসন্ধান চালায়। পরবর্তীতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫০টি মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেন এর প্রকৃত মালিকেরা। একই সঙ্গে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে ফোনগুলো উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়ায় পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা।
এ সময় ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মু. সাইফুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে জেলা পুলিশের এই নিয়মিত উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীতে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সাইবার সেল ইউনিট আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইলগুলো উদ্ধার করে। পরে উদ্ধার করা এসব মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফেনী জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে সাইবার সেল ইউনিট অনুসন্ধান চালায়। পরবর্তীতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫০টি মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেন এর প্রকৃত মালিকেরা। একই সঙ্গে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে ফোনগুলো উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়ায় পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা।
এ সময় ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মু. সাইফুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে জেলা পুলিশের এই নিয়মিত উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন